Best SEO Company in Gazipur




আমাদের আপকামিং ব্যাচটি শুরু হবে ১৯/১০/১৬ইং
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সময়ের আলোচিত একটি পেশা। যারা ওয়েব উদ্যোক্তা বা ওয়েবমাস্টার হতে চান তাদের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখা অবশ্যই জরুরি। এছাড়া যারা সফল ফ্রিল্যান্সার হতে চান তারাও এসইও শিখে ফ্রিল্যান্সিং করে প্রতি মাসে শত শত ডলার আয় করতে পারেন। বিশেষ করে যাদের কম্পিউটারের সাধারণ জ্ঞান আছে এবং ইংরেজিতে লেখালেখি করতে পারেন তারা এই পেশাকে বেছে নিতে পারেন অনায়াশেই। বাংলাদেশি শত শত ফ্রিল্যান্সার এসব কাজ করে শত থেকে হাজার হাজার ডলার আয় করে থাকেন। অল্প সময়ে কাজ করে প্রচুর টাকা আয়ের অন্যতম উপায় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। আপনি যদি নিজের সাইটের জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করেন তাহলে এর মাধ্যমে অধিক পরিমানে ভিজিটর পাবেন। যেহেতু ভিজিটর = টাকা হিসেবে বিবেচনা করা হয় সেহেতু যতো ভিজিটর আসবে আপনার ব্যবাসয়িক লাভ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। এছাড়া ঘরে বসে রিলাক্স মোডে কাজ করা ও তার মাধ্যমে আয় করার এটাই সুযোগ।
কেন শিখবেন এসইও :
√ বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসগুলোতে (upwork.com, freelancer.com, fiverr.com ইত্যাদি) ভিজিট করলে দেখা যায়, এসইওর কাজ সবচাইতে বেশি।
√ এসইওর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট গুগলের প্রথমে আনতে পারলে এবং ভিজিটর প্রচুর পরিমানে ওয়েবসাইটে আসলে বিভিন্ন লোকাল কোম্পানীর বিজ্ঞাপন আপনার ওয়েভসাইটে ব্যবহার করে মাসে লাখ টাকাও আয় করতে পারবেন। যেমন টেকটিউনসে কোন প্রকার এ্যাডসেন্স ব্যবহার করা হয়না। এখানের আয় সম্পূর্ণ লোকাল বিজ্ঞাপন।
√ এসইও শিখার আরও গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে, এসইও কোর্স একটি কিন্তু আয় করার সেক্টর অনেকগুলো। যেমনঃ ফোরাম পোস্টিং বা ব্লগ কমেন্টিং বা লিংকবিল্ডিং বা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কনটেন্ট রাইটিং বা পুরো এসইও করে আয় করা যায়।
√ প্রতিদিন মাত্র ৩-৪ ঘন্টা সময় দিয়ে এসইও করা যায়। সেজন্য অন্য চাকুরী পাশাপাশি এটি শিখে আয় করা সম্ভব।
যাদের জন্য এ কোর্সটি:
• কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী
• চাকুরীরত ব্যাক্তি
• বেকার বা চাকুরী খুজছেন
• যারা আউটর্সোসিং করতে আগ্রহী
• ঘরে বসে কাজ করতে আগ্রহী
• অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী
কোন কোন মার্কেটপ্লেসে আপনি কাজ করবেন:
এই কোর্সটি করে আপনি শিখতে পারবেন আপ-ওয়ার্ক.কম, ফ্রিল্যান্সার.কম, ইল্যান্স.কম, ফাইভার.কম সহ অন্যান্য মার্কেটপ্লেস গুলো সম্পর্কে; যা আপনার কাজ করার প্লাটফর্ম। শুধু মার্কেটপ্লেসে নয় লোকাল মার্কেট থেকেও প্রতিনিয়ত কাজ পাওয়ার বহু সম্ভাবনা রয়েছে এসইও এর ক্ষেত্রে।
এছাড়াও যেসকল সুবিধাগুলো পাচ্ছেনঃ
– মাল্টি-মিডিয়া প্রজেক্টর দ্বারা ক্লাসের ব্যবস্থা।
– আন্তরিক ও প্রফেশনাল প্রশিক্ষণ Environment.
– প্রতিটি ক্লাসের Video Script।
– সকলেই অনলাইন ক্যারিয়ার এর রিয়াল প্রজেক্টে কাজ করার সুবিধা পাবে।
আমাদের অন্যান্য সেবা সমূহ :-
** ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ।
** সফ্টওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি।
** এস ই ও. (Search Engine Optimization)।
** সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং (Facebook, twitter, G-plus, Linked in, etc).।
** ই মেইল মার্কেটিং ।
** ডিসপ্লে মার্কেটিং (online news paper & Web Site )।
** এস এম এস মার্কেটিং ।
** ব্র্যান্ড প্রমোশন ।
আমাদের সাথে যোগাযোগ :
৮৭, বিএনএস সেন্টার, ৬ষ্ঠ তলা (রুম নং# ৬১০/এ, এবং ৬১৪),
সেক্টর # ০৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।
হ্যালো : ০১৬১১ ৯০০ ৯৩৩
অথবা
নন্দী ভবনের – (৩য় তলা),
চন্দনা চৌরাস্তা, জয়দেবপুর, গাজীপুর।
হ্যালো : ০১৯৭৩ ৯০০ ৯৩৩ 

Best Web Development Training Center




কোর্স শুরু :১০/১০/২০১৬ ইং
ভর্তি চলবে :০৯/১০/২০১৬ইং পর্যন্ত
বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে অন্যতম সৃজনশীল পেশার নাম হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। ওয়েব দুনিয়ায় শত শত ওয়েবসাইট এবং নানান রকম ওয়েব ডিজাইন এর মাধ্যমে নিজ নিজ সৃজনশীলতার পরিচয় তুলে ধরছে আজ প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনারগণ। আপনি যদি সৃজনশীল কিছু করতে চান বা সৃজনশীল কাজ করতে বেশি ভালবাসেন তবে ওয়েব ডিজাইনিং হবে আপনার জন্য সর্ব উত্তম পেশা। প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার বর্তমান সময়ের অন্যতম লোভনীয় প্রফেশন। একজন প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার এর কাজের ক্ষেত্র অনেক বিস্তৃত। কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান গুলোতে প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার হিসাবে চাকুরির পাশাপাশি ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিংও করার সুযোগ রয়েছে। তাই দিনদিন ওয়েব ডিজাইনিং কিংবা ওয়েব ডিজাইন -এর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। উত্তরা ইনফোটেক দক্ষ ও প্রফেশনাল প্রশিক্ষক দ্বারা আন্তরিকতার সহিত ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর কাজ শিখিয়ে থাকেন।
কি কি শিখতে পারবনে এই কোর্স থেকে:
১. এইচটিএমএল, এইচটিএমএল-৫
২. সিএসএস, সিএসএস-৩
৩. জাভাস্ক্রিপ্ট
৪. জে-কোয়েরি
৫. পিএসডি টু এইচটিএমএল
৬. পিএইচপি
৭. ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি ব্লগসাইট তৈরি করতে হয়
৮. ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল তৈরি করতে হয়
৯. ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি ব্যাবসায়িক সাইট তৈরি করতে হয়
১০. ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি অনলাইন শপিং/ই-কমার্স সাইট তৈরি করতে হয় ।
এছাড়াও পাচ্ছেনঃ
-মাল্টি-মিডিয়া প্রজেক্টর দ্বারা ক্লাসের ব্যবস্থা।
– আন্তরিক ও প্রফেশনাল প্রশিক্ষণ Environment.
– প্রতিটি ক্লাসের Video Script।
– সকলেই ওয়েব ডিজাইনিং এর রিয়াল প্রজেক্টে কাজ করার সুবিধা পাবে।
ভর্তি এবং প্রশিক্ষণ ফি:
আমাদের আপকামিং ব্যাচটির ক্লাশ হবে সপ্তাহে ০৩ দিন প্রতি রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতি বার । ৩ মাসের প্রশিক্ষণ এবং এক মাসের রিয়েল লাইফ প্রজেক্ট সহ মোট প্রশিক্ষন ফি : ১২,৫০০/-.টাকা।
আমাদের অফিসের ঠিকানা:
৮৭, বিএনএস সেন্টার, ৬ষ্ঠ তলা (রুম নং# ৬১০/এ, এবং ৬১৪),
সেক্টর # ০৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।
হ্যালো : ০১৬১১ ৯০০ ৯৩৩
অথবা ,
নন্দী ভবন (৩য় তলা),
(ইসলামী ব্যাংক এর পশ্চমি পার্শ্বে),
চন্দনা চৌরাস্তা, জয়দেবপুর, গাজীপুর।
হ্যালো : ০১৯৭৩ ৯০০ ৯৩৩
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: www.uit.com.bd, www.uttarainfotech.com

Professional Website Design and Development Service Provider Company


তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সারা পৃথিবী যখন হাতের মুঠোয়। E-Commerce এর এই জগতে পৃপৃথিবীর অর্থনীতির বাহন যেখানে Totally Internet এর উপর নির্ভরশীল; আর ঠিক এই সময় আপনার প্রতিষ্ঠানের একটি ওয়েবসাইট কতটা জরুরী।
হ্যাঁ, আন্তর্জাতিক বাজারে আপনার পণ্য বা সেবার একমাত্র Introducer একটি মানসম্মত ও নান্দনিক ওয়েবসাইট। E-Commerce এর দুনিয়ায় একটি ওয়েবসাইটই পারে আপনার পণ্য বা সেবাকে প্রায় ৭০০ কোটি মানুষের কাছে পৌছে দিতে। আপনার নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে একটি ওয়েবসাইটই আপনার বাণ্যিজ্যিক অফিস, ব্যবসায়িক ঠিকানা, আপনার পণ্য বা সেবার Introducer। পৃথিবীর বিখ্যাত Product Marketing Site, Amazon, E-Bay, Commission Junction, Click Bank বাংলাদেশের BD Jobs, Bikroy.com, ekhanei.com, sharirbazar.com ইত্যাদি সাইটকে চেনেন না এধরণের মানুষ আছে বলে বিশ্বাস হয় না। যেখানে প্রতিনিয়ত লক্ষ লক্ষ ডলারের বাণ্যিজ্যিক লেনদেন হচ্ছে। সেখানে সবই সম্ভব একমাত্র একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে।
এসকল   ওয়েবসাইট  তৈরি করার  জন্য দরকার একজন দক্ষ  ও  প্রফেশনাল  Web Developer.
Uttara Infotech আপনাকে দিচ্ছে একটি মানসম্মত আন্তর্জাতিক মানের ওয়েবসাইট তৈরির সম্পূর্ণ নিশ্চয়তা। আমাদের দক্ষ ও প্রফেশনাল ওয়েব ডেভেলপারগণ আপনার প্রতিষ্ঠানের কাঙ্কিত যে কোন ধরণের Personal Website, Company Website, News site, Blog Site, Software ইত্যাদি তৈরি করে দিতে বদ্ধ পরিকর।
যে কোন ধরণের ইনফরমেশনের জন্য যোগাযোগ করুন
হ্যালো : ০১৯৩৫ ৯০০ ৯৩৩
অথবা সরাসরি চলে আসুন আমাদের অফিসে
৮৭, বিএনএস সেন্টার,
৬ষ্ঠ তলা, রুম নং- ৬১০/এ,
সেক্টর-৭, উত্তরা, ঢাকা।

কম্পিউটারে সি ড্রাইভ কেন ডিফল্ট ড্রাইভ হয়?


প্রত্যেক কম্পিউটার ও ল্যাপটপেই রয়েছে সি ড্রাইভ। সেখানেই থাকে অপারেটিং সিস্টেমসহ সব গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার ও প্রয়োজনীয় ডাটা। মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে সি ড্রাইভটি সবসময় ডিফল্ট ড্রাইভ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সবসময় সি ড্রাইভ কেন? সেটা ভেবে দেখেছেন কি? এই প্রশ্নের উত্তর জানিয়েছে স্কুপহুপ ডটকম।
কোনো ইউএসবি ড্রাইভ ব্যবহার করা হলে সেখানে ডি, ই, এফ, জিসহ আরো অন্য ড্রাইভ ব্যবহার করা যায়। কিন্তু তাহলে এ আর বি ড্রাইভের কাজটা কী?
প্রথম দিককার কম্পিউটারে ইন্টারনাল স্টোরেজের ব্যাপারটি খুব বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হতো না। এর বদলে বরং ব্যবহার করা হতো ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ।
মূলত দুই আকারে ফ্লপি ডিস্ক পাওয়া যেত ৫ ১/৪” এবং ৩ ১/২”। আর এই দুই আকারে ফ্লপি ডিস্কের জন্য বরাদ্দ ছিল ড্রাইভ এ ও বি।
এটা ছিল ১৯৮০ এর দশকের শেষের দিককার কথা। এর পরই হার্ড ড্রাইভের ডাটা স্টোরেজ নিয়ে বিজ্ঞানীরা চিন্তাভাবনা শুরু করেন এবং সি ড্রাইভকেই এই কাজের জন্য বেছে নেওয়া হয়। অর্থাৎ কম্পিউটারের স্টোরেজের জন্য সি ড্রাইভকে ব্যবহার করা শুরু হয়। আর সে কারণেই কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেমও সি ড্রাইভকেই ডিফল্ট ড্রাইভ হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করে।
ধীরে ধীরে ফ্লপি ড্রাইভ বিলুপ্ত হয়ে গেলেও এ ও বি ড্রাইভ রয়ে গেছে। তবে চাইলে যে ডিফল্ট ড্রাইভ পাল্টানো যাবে না, এমন কোনো কথা নেই। এ বা বি ড্রাইভকেও ডিফল্ট ড্রাইভ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে তবে সেজন্য উইন্ডোজের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ রাইটস প্রয়োজন হবে।

যে সকল ইনফো ফেসবুকে দেবেন না!


ফেসবুকের মাধ্যমে গোটা জীবনটাই আপনি শেয়ার করে ফেলেন। হয়তো যে বিষয়গুলো কখনোই অন্যদের জানাতে চান না তাই আপনার অসাবধানতায় প্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে। বন্ধুদের সঙ্গে যা শেয়ার করছেন, দেখা যাচ্ছে তার চেয়ে বেশি তথ্য অন্যরা পেয়ে যাচ্ছেন। এ ধরনের অস্বস্তিকর অবস্থা এড়াতে ৫টি তথ্য ফেসবুকে শেয়ার না করতে বলেছেন বিশেষজ্ঞরা।
১. ফোন নম্বর : বাড়ি অথবা ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর ফেসবুক পেজে দেওয়া মানে প্রাঙ্ক কলার, স্টকার, স্ক্যামার এবং আইডেন্টিটি চোররা এ তথ্য চুরি করে নানা অঘটন ঘটাতে পারেন। এ ছাড়া আপনার ফোন নম্বর দিয়ে সার্চ করেও যে কেউ পেজ বের করতে পারবেন।
২. বাড়ির ঠিকানা : সম্প্রতি ছুটি কাটাতে কোথায় গেছেন সে ছবিটি পর্যন্ত বিপদ ডেকে আনতে পারে। সেখানে বাড়ির ঠিকানা দেওয়াটা চরম বোকামির সামিল। ‘কন্টাক্ট অ্যান্ড বেসিক ইনফো’ অংশে এ তথ্য দিয়ে থাকলে তা সরিয়ে ফেলুন। ‘এডিট’ করে ‘সেভ চেঞ্জেস’ ক্লিক করুন।
৩. পেশা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য : আপনি কি কাজ করেন না কোথায় করেন ইত্যাদি তথ্য ফেসবুকে দেবেন না। আপনার অফিস বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিজীবী খুঁজতে গিয়ে আপনার এমন কোনো তথ্য বা ছবি পেতে পারেন যা হয়তো তাদের পছন্দ হবে না। এগুলো পেশাজীবনে বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। যদি তথ্য দিয়েই থাকেন তবে ফেসবুকের টাইমলাইন টুলস ব্যবহার করে স্ক্যান দিন। আপনার আগের পোস্টগুলো দেখতে পারবেন। সেখানে পেশাগত কোনো তথ্য থাকলে তা সরিয়ে ফেলুন।
৪. সম্পর্কের স্ট্যাটাস : সম্পর্ক জীবনের ব্যক্তিগত বিষয়। এগুলো উন্মুক্ত করে দেওয়ার জায়গা ফেসবুক নয়। এতে ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং সামাজিক জীবনে নানা টানাপড়েন সৃষ্টি হয়। এগুলো নিয়ে যে কেউ নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। তাই সম্পর্ক নিয়ে অহরহ স্ট্যাটাস দেবেন না।
৫. অর্থ সংক্রান্ত কোনো তথ্য : ফেসবুক বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু এখানে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর বা ক্রেডিট কার্ড নম্বর ইত্যাদি দিতে যাবেন না। হ্যাকারদের পাল্লায় পড়লে সর্বনাশ হয়ে যাবে। একবার এ সব তথ্য বাড়ির কম্পিউটারে বসে ব্যবহার করলেও অন্য কেউ ওই কম্পিউটারে বসেই তা ব্যবহার করে আরো অর্থ খরচ করতে পারেন।

‘ইউটিউবার’ হতে চান? উপায়গুলো জেনে নিন



রে রয়েছে বহু সম্ভাবনা। আপনি যদি ইউটিউবে নিজের চ্যানেল খুলতে চান, তাও সম্ভব। এ লেখায় তুলে ধরা হলো ইউটিউবে সাফল্যের কয়েকটি উপায়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।
২০১৪ সালে জোয়ে অ্যাহার্ন একজন তারকা হওয়ার আশায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে যান। তবে তিনি চলচ্চিত্র কিংবা টেলিভিশনে তারকা হওয়ার চেষ্টা করেননি। তিনি ইউটিউবের তারকা হওয়ার চেষ্টা করেন।
অ্যাহার্ন বলেন, ‘সম্পূর্ণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমই এখানে রয়েছে।’
অ্যাহার্ন বিভিন্ন ধরনের কমেডি স্কিট ভিডিও তৈরি করতে থাকেন। আর এসব ভিডিও দিয়েই তিনি বিখ্যাত হয়ে যান। এরপর তাকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি।
ইউটিউবের এ ব্যবসাকেই ফুল টাইম কাজ হিসেবে নেন অ্যাহার্ন। তিনি ইউটিউব থেকে যে পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেন, তা বহু মানুষের কাছেই বিস্ময়।
ইউটিউবে বিজ্ঞাপনদাতারা বর্তমানে বছরে ৫০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করছেন। এর বড় অংশ রিহানা ও জাস্টিন বিবারের মতো তারকাদের পেছনে ব্যয় হলেও বহু মানু্ষই ইউটিউবের এ ব্যবসা থেকে ভালো অর্থ কামিয়ে নিচ্ছেন। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় ইউটিউব কমিক পিউডাইপাইয়ের কথা। এটি থেকে গত বছর ১২ মিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে।
ইউটিউবে যাদের ভালো সাবস্ক্রাইবার রয়েছে তারা বিখ্যাত হয়ে যান। বহু ব্যক্তি রয়েছেন, যাদের তিন মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার রয়েছে। এ ধরনের ব্যক্তিদের ইউটিউবও যথেষ্ট সমাদর করে।
তবে ইউটিউবে ক্রমাগত নিত্যনতুন চ্যানেল তৈরি হয়। আর এসব চ্যানেলের কারণে পুরনোদের সব সময়ই সতর্ক থাকতে হয়। ফলে প্রচণ্ড প্রতিযোগিতা চলে সব সময়।
আপনি যদি ইউটিউবে বড় কোনো সাফল্য দেখাতে চান তাহলে তা মোটেই সহজ বিষয় নয়। কাজটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। একটা ওয়েবক্যাম নিয়ে বসে গেলাম আর বহু মানুষ আপনার সাবস্ক্রাইবার হয়ে যাবে, বিষয়টি মোটেই তেমন নয়। এজন্য আপনার বহু বিষয় শিখতে হবে। বুঝতে হবে ব্যবহারকারীদের মানসিকতা।
১৯ বছর বয়সী কম্পিউটার প্রকৌশলী হান্নাহ হফম্যান। তিনি দেড় মিনিটের অ্যানিমেশন তৈরি করেন। তিনি জানান, এ ভিডিওগুলো তৈরি করতে তার আট ঘণ্টা করে সময় লাগে। আর এগুলো তিনি তার চ্যানেলে আপ করেন। এগুলো ব্যবহার করে তার স্বপ্ন ছিল এক লাখ সাবস্ক্রাইবার তৈরি করা। কিন্তু একসময় তার সে সংখ্যাটি স্বপ্ন মনে হলেও বাস্তবে পরিণত হয়। এরপর তা পাঁচ লাখে পৌঁছে এবং বাড়তে থাকে।
তিনি বলেন, ‘এখানে বহু সংখ্যা রয়েছে। লাইক, কমেন্ট, ভিউ, সাবস ইত্যাদি….. যেগুলো নিয়ে চিন্তা করা বোকামি। এসব বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে থাকলে আপনি ব্যর্থ হবেন।’
তার মতে ইউটিউব সমাজের সঙ্গে সংযুক্ত থাকাই সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ বিষয়। আর এটিই তাকে এগিয়ে নিয়েছে।
ইউটিউবে ক্ষুদ্র ও বড় নির্মাতাদের মাঝে পার্থক্য ক্রমে বড় হচ্ছে। তবে সফল ইউটিউবার টায়লার ওকলে বলেন, ‘আমি এ বিষয়টিকে খুবই গুরুত্ব দিয়ে দেখেছি। কারণ এখন এটি অত্যন্ত জনবহুল মানুষের বাজারে পরিণত হয়েছে, যারা এখানে কিছু করতে চাচ্ছে।’
তবে নিজের সাফল্য সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি অত্যন্ত ভাগ্যবান যে, সঠিক সময়ে সঠিক স্থানে উপস্থিত হতে পেরেছি। যখন এতটা ভিড় ছিল না, তখনই তা তৈরি করতে পেরেছি।’
ইউটিউবে তারকা হয়ে ওঠাও হলিউডে তারকা হওয়ার মতো বিষয়। তবে এখানে নিজেকেই ইউটিউবার হতে হয়। আর ক্রমাগত চেষ্টা করে গেলে সাফল্য পেতেও দেরি হয় না।

কম্পিউটার স্লো? আছে সহজ সমাধান


কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন সমস্যা ‘পিসি স্লো’! নিত্য ব্যবহারে বেশি পরিমাণে টেম্পোরারি ও জাংক ফাইল জমা হওয়াসহ ভাইরাসের কারণেও পিসি ধীরগতির হতে পারে। তবে, আপনি চাইলে ঘরে বসেই সাধারণ কিছু ‘ফিক্স’ ব্যবহার করে কম্পিউটার দ্রুতগতির করতে পারেন। চলুন, তবে শুরু করা যাক:
টেম্পোরারি ফাইল অপসারণ
বিভিন্ন কাজ করার সময় কম্পিউটার তার প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ফাইলের অনুলিপি তৈরি করে নেয়, যা আর পরে কোনো কাজে না লাগলেও থেকে যায় নির্ধারিত জায়গাতেই। এসবই ‘টেম্পোরারি ফাইল’। টেম্পোরারি ফাইল মুছতে কীবোর্ডের উইন্ডোজ এবং R বাটন একসাথে চাপুন। রান উইন্ডো এলে temp টাইপ করুন ও Enter চাপুন। নতুন উইন্ডোতে টেম্পোরারি ফাইলসমূহ প্রদর্শিত হলে ctrl এবং A একসাথে চেপে সব সিলেক্ট করুন। ‘Delete’ বাটন প্রেস করুন। মুছে ফেলা হবে কি না জানতে চাইলে ‘Continue’ দিন। কোনো ফাইল চালু অবস্থায় থাকলে তা অপসারণ করা যাবে না জানিয়ে বার্তা এলে ‘Skip’ বাটন প্রেস করুন।
হিডেন টেম্পোরারি ফাইল অপসারণ
টেম্পোরারি ফাইলের মতোই ‘হিডেন টেম্পোরারি ফাইল’। হিডেন টেম্পোরারি ফাইল মুছতে কীবোর্ডের উইন্ডোজ এবং R বাটন একসাথে চাপুন। রান উইন্ডো এলে %temp% টাইপ করুন ও Enter চাপুন। নতুন উইন্ডোতে টেম্পোরারি ফাইলসমূহ প্রদর্শিত হলে ctrl এবং A একসাথে চেপে সব সিলেক্ট করুন। ‘Delete’ বাটন প্রেস করুন। মুছে ফেলা হবে কি না জানতে চাইলে ‘Continue’ দিন। কোনো ফাইল চালু অবস্থায় থাকলে তা অপসারণ করা যাবে না জানিয়ে বার্তা এলে ‘Skip’ বাটন প্রেস করুন।
প্রিফেচড ফাইল অপসারণ
‘প্রিফেচড ফাইল’সমূহও কোনো কাজে না লাগলেও কম্পিউটারে থেকে যায়। এই ফাইলগুলো মুছতে কীবোর্ডের উইন্ডোজ এবং R বাটন একসাথে চাপুন। রান উইন্ডো এলে prefetch টাইপ করুন ও Enter চাপুন। নতুন উইন্ডোতে টেম্পোরারি ফাইলসমূহ প্রদর্শিত হলে ctrl এবং A একসাথে চেপে সব সিলেক্ট করুন। ‘Delete’ বাটন প্রেস করুন। মুছে ফেলা হবে কি না জানতে চাইলে ‘Continue’ দিন। কোনো ফাইল চালু অবস্থায় থাকলে তা অপসারণ করা যাবে না জানিয়ে বার্তা এলে ‘Skip’ বাটন প্রেস করুন।
রিসেন্ট ফাইল অপসারণ
সর্বশেষ সম্পাদিত কাজই ‘রিসেন্ট ফাইল’। রিসেন্ট ফাইল মুছতে কীবোর্ডের উইন্ডোজ এবং R বাটন একসাথে চাপুন। রান উইন্ডো এলে recent টাইপ করুন ও Enter চাপুন। নতুন উইন্ডোতে টেম্পোরারি ফাইলসমূহ প্রদর্শিত হলে ctrl এবং A একসাথে চেপে সব সিলেক্ট করুন। ‘Delete’ বাটন প্রেস করুন। মুছে ফেলা হবে কি না জানতে চাইলে ‘Continue’ দিন। কোনো ফাইল চালু অবস্থায় থাকলে তা অপসারণ করা যাবে না জানিয়ে বার্তা এলে ‘Skip’ বাটন প্রেস করুন। অপ্রয়োজনীয় ফাইল অপসারণ হয়ে গেছে, এবার কম্পাইলেশনের পালা। কম্পিউটারের বিন্যাসসমূহ সাজিয়ে নেয়ার নামই ‘কম্পাইলেশন’। শুনতে একটু খটমট লাগলেও এটি করতে বড়জোর কয়েক সেকেন্ড সময় লাগে।
কম্পাইলেশন
কীবোর্ডের উইন্ডোজ এবং R বাটন একসাথে চাপুন। রান উইন্ডো এলে টাইপ করুন ‘tree’ এবং ‘Enter’ প্রেস করুন। এই পদ্ধতিতে দুই থেকে তিনবার ট্রি রান করান, এবার ডেস্কটপ থেকে রিসাইকেল বিন খালি করে রিস্টার্ট দিয়ে দেখুন তো কোনো পরিবর্তন চোখে পড়ছে কি না?