আউটসোর্সিং / ফ্রীল্যান্সিং-ই আমার জীবন বদলে দিয়েছে : মাহমুদুল হাসান


বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে অন্যতম সৃজনশীল পেশার নাম হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইন। আজকাল যে কোন ক্ষেত্রে  ডিজাইনের প্রযোজন হয় যেমন  সেটা হতে পারে : লোগো, ব্যানার,পোস্টার ,টি-শার্ট  ডিজাইন ইত্যাদি। মূলত যে কোন ক্ষেত্রেই ডিজাইনের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য।আপনি যদি সৃজনশীল কিছু করতে চান বা সৃজনশীল কাজ করতে বেশি ভালবাসেন তবে গ্রাফিক্স ডিজাইন হবে আপনার জন্য সর্ব উত্তম পেশা। প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইন বর্তমান সময়ের অন্যতম লোভনীয় প্রফেশন। একজন প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজের ক্ষেত্র অনেক বিস্তৃত। কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান গুলোতে প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইন হিসাবে চাকুরির পাশাপাশি ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিংও করার সুযোগ রয়েছে। তাই দিনদিন গ্রাফিক্স ডিজাইন কিংবা ওয়েব ডিজাইন -এর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। উত্তরা ইনফোটেক দক্ষ ও প্রফেশনাল প্রশিক্ষক দ্বারা আন্তরিকতার সহিত গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ শিখিয়ে থাকেন।
বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে আউটসোর্সিং করে অনেকেই নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করছে। আপনি যদি সৃজনশীল কিছু করতে চান বা সৃজনশীল কাজ করতে বেশি ভালবাসেন তবে ফ্রীল্যান্সিং-ই হউক আপনার জন্য সর্ব উত্তম পেশা। দেশকে বেকার সমস্যা দূর করতে দেশের বিভিন্ন আইটি প্রতিষ্ঠানের সাথে উত্তরা ইনফোটেক’ও সমান ধারায় আইটি আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সেই আন্দোলনে শরিক হয়ে অনেকেই বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে নিজের  ভাগ্যকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছেন।
২০১১ সাল থেকে উত্তরা ইনফোটেক যাত্রা শুরু করে প্রায় ৫০০ প্রশিক্ষিত সুদক্ষ যুবককে আইটি জগতে ক্যারিয়ার গড়তে সহযোগিতা করেছে। যাদের অনেকেই বর্তমানে আইটি পেশায় নিজের ক্যারিয়ার প্রতিষ্ঠিত করেছে। উত্তরা ইনফোটেক থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়া অনেকের মধ্যে আমিও একজন।
সোলানী ভবিষৎতের কথা চিন্তা করে আমি আইটি সেক্টরের মাধ্যমে ডিজিটাল ক্যারিয়ার গড়ব বলে সিদ্ধান্ত ২০১৬ সালে। আমি আমার বন্ধুদের মাধ্যমে উত্তরা ইনফোটেক সম্পর্কে জানতে পারি। পরে এই প্রতিষ্ঠানে এসে আইটি ক্যারিয়ার সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জানতে পারি। উত্তরা ইনফোটেক এর পরিবেশ, প্রশিক্ষণ প্রদানের দক্ষতা ও প্রশিক্ষণ পরিবর্তী সহযোগিতার কথা জানতে পেরে নিজেকে এই প্রতিষ্ঠানের একজন ছাত্র হিসাবে যুক্ত করি এবং উত্তরা ইনফোটেক এ প্রশিক্ষন নিয়ে নিজেকে একজন দক্ষ ফ্রীল্যান্সার হিসাবে তৈরী করতে সমর্থ হই।

বর্তমানে আমি বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করি। প্রতিদিন প্রায় আট ঘণ্টা সময় ব্যয় করে আমি প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৫,০০০ টাকা বা তারও বেশি আয় করি। আমি এই কাজে নতুন তবুও মোটামোটি ভালই ইনকাম হয়। আশা রাখি ভবিস্যতে আরও ভাল কিছু করতে পারব।আর  একটি কথা এখানে  যে যত বেশি সময় দিতে পারবে সে তত বেশি আয় করতে পারবে। দেশে বসে বিদেশি ডলার আয় করতে বেশ ভালই লাগে। এই সেক্টরে কাজ করতে এসে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মূখীন হয়েছি, সেক্ষেত্রে উত্তরা ইনফোটেক থেকে আমি সব সময় সহযোগিতা পেয়েছি, এখনও পাচ্ছি।
নতুনদের উদ্দেশ্যে বলছি আইটি সেক্টরে আসতে নিজের ইচ্ছা শক্তি ও কম্পিউটার সম্পর্কে জ্ঞান থাকলেই যে কেউ আইটি বিষয়ে কাজ শিখে অনলাইন থেকে টাকা উপার্জন করতে পারবে।
পরিশেষে আমি গর্বের সাথে বলছি, উত্তরা ইনফোটেকই আমার ভাগ্য পরিবর্তন করেছে আমি উত্তরা ইনফোটেক ও উত্তরা ইনফোটেক এর সকল প্রশিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ’কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।


ল্যাপটপ ঠান্ডা রাখার কয়েকটি উপায়


সাধারণত কিছুক্ষণ কাজ করার পরই ল্যাপটপ ক্রমশ গরম হয়ে যায়। ল্যাপটপ ঠান্ডা রাখার কিছু উপায় রয়েছে। এ পর্বে জেনে নিই কয়েকটি উপায়।
০০ ফ্ল্যাট জায়গার উপর থাকলে ল্যাপটপের তলার দিকে থাকা ব্যাটারি এবং প্রসেসর তাপ বিকিরণ করতে পারে না। অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। তাই সবসময় একটি মোটা বই বা স্ট্যান্ডের উপর ল্যাপটপ রাখুন।
০০ ল্যাপটপে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম বেশিক্ষণ চালু রাখবেন না।
০০ এসি নেই আবার দরজা-জানলাও বন্ধ, এমন ঘরে ল্যাপটপ বেশি গরম হয়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক। তাই এসি না থাকলে জানালা অবশ্যই খুলে রাখুন যাতে বাতাস চলাচল করে।
০০ থার্মোডায়নামিক্স ল অনুসরণ করেও কমাতে পারেন ল্যাপটপের তাপমাত্রা। পর পর কয়েকটি তামার কয়েন রাখুন ল্যাপটপের উপরে। ধাতুর তাপশোষণ অনেক বেশি হওয়ায় কিছুক্ষণের মধ্যে ল্যাপটপের তাপমাত্রা কমবে এবং তামার কয়েনের তাপমাত্রা বাড়বে।
০০ কুলিং প্যাড অথবা কুলিং ম্যাটও কিনে নিতে পারেন। এগুলোর সঙ্গে ফ্যান থাকে; যা ল্যাপটপের তলায় হাওয়া দিয়ে তার তাপমাত্রা বেশি বাড়তে দেয় না।
০০ নরম জায়গার উপরে ল্যাপটপ রাখলে তাপ বিকিরণ হতে পারে না তাই কখনও বালিশ, বিছানা এমনকি কোলের উপরে রেখেও ল্যাপটপ ব্যবহার না করাই ভালো।
০০ ল্যাপটপের যেখান দিয়ে বাতাস বের হয়, সেখানে কোনো ময়লা জমেছে কি না, তা পরীক্ষা করুন। কাপড় বা ব্রাশ দিয়ে ময়লা পরিষ্কার করে ফেলুন। এক্ষেত্রে একজন হার্ডওয়্যার বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়াই ভালো।
০০ ল্যাপটপের স্ট্যাটাস বারের ব্যাটারি আইকনে ‘Power and Sleep Settings’ সিলেক্ট করুন। স্ক্রল করে Additional Power Settings -এ যান। এবার Change Plan Settings-এ ক্লিক করুন। এরপর সিলেক্ট করুন Change Advanced Power Settings। স্ক্রল ডাউন করে আসুন Processor Power Management-এ। এবার সিলেক্ট করুন Maximum Processor State। সেখানে পার্সেন্টেজ কমিয়ে দিন ৭0% থেকে ৮০%-এ।

ল্যাপটপের যত্ন-আত্তির কিছু টিপস


বর্তমান কর্মময় জীবনে অতি প্রয়োজনীয় একটি যন্ত্র ল্যাপটপ। গুরুত্বপূর্ণ এ যন্ত্রটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে চাই আরো একটু যতন, আরো একটু সচেতনতা। এক্ষেত্রে কিছু নিয়ম অনুসরণ করা যেতে পারে। তাহলে এর স্থায়িত্ব স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হতে পারে। ভালো থাকতে পারে ব্যাটারি লাইফও।
এ পর্বে জেনে নিই ল্যাপটপের যত্ন-আত্তির কিছু টিপস।
০০ ল্যাপটপের ওপর ভারী কিছু রাখা ঠিক নয়। যেহেতু ল্যাপটপের পুরুত্ব খুব বেশি নয় এবং এর অপর প্রান্তে ডিসপ্লে (মনিটর) অংশ থাকে, সেহেতু ভারী কোনো কিছু রাখা বা কোনো চাপ পড়ার কারণে ল্যাপটপটির ডিসপ্লেতে সমস্যা হতে পারে। আর প্রযুক্তির বাজারে ডিসপ্লে পরিবর্তন করাটা ব্যয়বহুলও। তাই এ ব্যাপারে বাড়তি একটু সচেতনতা প্রয়োজন।
০০ অনেক সময় আমরা হাতের ওপর ল্যাপটপ রেখে কাজ করি। এক্ষেত্রে ল্যাপটপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরানোর সময় কখনোই শুধু ডিসপ্লের (মনিটর) অংশে হাত রেখে সরানো ঠিক নয়। হাতে রেখে কাজ করার সময়ও সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত; যেন ল্যাপটপটি যেন নিচে পড়ে না যায়। যদিও এখন অনেক ল্যাপটপেই ‘ফল প্রটেকশন’ দেয়া থাকে তবু সেই প্রটেকশনটি খুব কম দূরত্বে থেকে পড়ার ক্ষেত্রেই কাজ করে। মনে রাখা উচিত, ইলেকট্রনিক্স দ্রব্যাদির গ্যারান্টি অথবা ওয়ারেন্টির ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম-কানুন উল্লেখ থাকে এবং সেই নিয়মের বাইরে কোনোভাবে যদি আপনি আপনার ডিভাইসটি নষ্ট করে ফেলেন সেক্ষেত্রে ওয়ারেন্টি অথবা গ্যারান্টি কাজে আসে না।
০০ কাজ শেষ হলে ল্যাপটপটির লিড নামিয়ে রাখুন। এতে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা থেকে সুরক্ষা পাবে আপনার ল্যাপটপ। এ-ছাড়া স্ক্রিনে ময়লা বা দাগ পড়বে না।
০০ স্ক্রিন প্রটেক্টরের সঙ্গে সঙ্গে কিবোর্ড প্রটেক্টরও ব্যবহার করুন। এতে কিবোর্ডের কিগুলোর ফাঁক দিয়ে ধুলো জমবে না। মাঝে মাঝে মিনি ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়েও কিবোর্ড পরিষ্কার করে নিতে পারেন।
০০ আমরা অনেকেই বাসার কাজের জন্যে ল্যাপটপ ব্যবহার করে থাকি। এক্ষেত্রে সাধারণত চার্জার লাগিয়েই ল্যাপটপ ব্যবহার করি। একটি বিষয় খেয়াল রাখা উচিত, তা হচ্ছে প্রতিটি ল্যাপটপ ম্যানুফ্যাকচারারই তাদের ল্যাপটপের ব্যাটারি সুরক্ষায় কিছু অ্যাপ্লিকেশন সরবরাহ করে থাকে। উদাহরণস্বরূপ, ডেল তাদের ল্যাপটপের সঙ্গে ‘কুইকসেট’ নামের একটি অ্যাপ্লিকেশন সরবরাহ করে থাকে। সেখানে কিছু অপশন থাকে। যেমন- কত শতাংশ চার্জ হওয়ার পর ব্যাটারি আর চার্জ গ্রহণ করবে না ইত্যাদি। কুইকসেটের সব ফিচারগুলোই ব্যাটারি রিলেটেড। আপনিও আপনার ল্যাপটপটির জন্যে এরকম অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে ব্যাটারিকে কিছুটা হলেও সুরক্ষিত রাখতে পারেন। আর সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার ব্যাটারিতে ল্যাপটপটি চালাবেন। এতে করে আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারি ভালো থাকবে।
০০ সরাসরি সূর্যের আলো পড়ে অথবা স্বাভাবিকের চেয়ে গরম- এমন কোনো স্থানে ল্যাপটপ রাখবেন না বা ব্যবহার করবেন না। তবে মাঝেমধ্যে ব্যাটারির চার্জ অর্ধেক রেখে সূর্যের আলোয় ব্যাটারি খুলে কিছুক্ষণ রেখে দিলে তা ব্যাটারির জন্যে ভালো।
০০ ল্যাপটপে আপনার প্রয়োজন নেই এমন সফটওয়্যার ইন্সটল করবেন না। দরকার হলে আপনার হার্ডডিস্কে পরবর্তী সময়ে সফটওয়্যারটির ব্যাকআপ ফাইল রেখে দিতে পারেন।
০০ মাঝে মধ্যেই সিস্টেম ক্লিনার সফটওয়্যার দিয়ে ল্যাপটপ কম্পিউটারটির হার্ডডিস্ক স্ক্যান করাবেন। কোনো রকম সিস্টেমের ত্রুটি পেলে সিস্টেম কেয়ার অ্যাপ্লিকেশনগুলোই তা ফিক্স করে দেবে। এ ক্ষেত্রে টিউন-আপ ইউটিলিটিস, অ্যাডভান্স সিস্টেম কেয়ার ইত্যাদি সফটওয়্যারগুলো বেশ কাজের। এগুলো ব্যবহার করে দেখতে পারেন। এটি মূলত ল্যাপটপ এবং ডেস্কটপ- দুটোর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
০০ সরাসরি পোর্টেবল হার্ডডিস্ক থেকে মিডিয়া ফাইল প্লে না করাই ভালো। কেননা এক্সটারনাল ডিভাইসগুলোর ডাটা আদান-প্রদান করতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎশক্তির প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে ল্যাপটপের হার্ডডিস্কে কপি করে ব্যবহার করুন। একই নিয়ম পোর্টেবল সিডি-ডিভিডি রমের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
০০ প্রয়োজন না হলে ব্লুটুথ এবং ওয়াইফাই চালু করে রাখবেন না এবং ‘শাটডাউন’ ও ‘স্লিপের’ পরিবর্তে ‘হাইবারনেট’ অপশন ব্যবহার করুন। হাইবারনেট হচ্ছে এমন একটি অবস্থায় চলে যাওয়া; যা আপনার সেই মুহূর্তের কাজগুলো একটি ফাইলে জমা রেখে আপনাকে এমন একটি অবস্থায় নিয়ে যাবে; যা প্রায় বিদ্যুৎ ব্যবহার না করারই সমান। পরবর্তী সময়ে সিস্টেম রিজিউম করলে আপনাকে আপনার সব কাজের প্রগ্রেস ঠিক সেখানেই ফিরিয়ে দেবে; যেখানে আপনি হাইবারনেট করেছিলেন।
আপনি স্লিপ মোডও ব্যবহার করতে পারেন। এটি হাইবারনেটের চেয়ে দ্রুতগতিতে সিস্টেম রিজিউম করতে সক্ষম। কিন্তু এটি হাইবারনেটের চেয়ে কিছুটা বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে থাকে। তাই ব্যাটারির চার্জ ধরে রাখতে ‘হাইবারনেট’ অপশনটিই অধিক কাজে দেয়।
০০ ল্যাপটপ যতই গরম হবে ল্যাপটপের ততই সমস্যা হবে। এজন্যে চেষ্টা করবেন যতটুকু সম্ভব ল্যাপটপ ঠান্ডা রাখতে। বিছানা, বালিশ কিংবা কুশনের ওপর রেখে ল্যাপটপ চালানো ঠিক নয়। কারণ এতে ল্যাপটপটির বাতাস চলার পথ বন্ধ হয়ে এটি ক্রমশই গরম হয়ে ওঠে।

ইউটিউব থেকে আয় করবেন যেভাবে



ভিডিও শেয়ারিংয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম ইউটিউব। প্রতি মাসে ৮০ কোটিরও বেশি মানুষ এসে ঢুঁ দেয় এখানে। তবে শুধু উপভোগের জন্যই নয়, চাইলে ইউটিউব হতে পারে অর্থ আয়ের অন্যতম উৎস। 
বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি দেখা হয় যে ওয়েবসাইট সেটি হলো ইউটিউব। সার্চ ইঞ্জিন গুগল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুককে পেছনে ফেলে বর্তমানে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ভিডিও স্ট্রিমিং সাইট ইউটিউব! শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিনামূল্যে ভিডিও শেয়ারিং সাইট হিসেবে বিশ্বজুড়ে ইউটিউব দারুণ জনপ্রিয়। এখানে যেমন ইচ্ছে মতো ভিডিও দেখা যায় তেমনি চাইলে নিজেই চ্যানেল তৈরি করে আপলোড করা যায় ভিডিও। বিনোদনের পাশাপাশি শিক্ষামূলক, সচেতনতামূলক অসংখ্য ভিডিও'র সমাহারে সব শ্রেণির মানুষের প্রিয় হয়ে উঠেছে ইউটিউব। তবে শুধু উপভোগের জন্যই নয়, চাইলে ইউটিউব হতে পারে অর্থ আয়ের অন্যতম উৎস। ঘরে বসে নিজের চ্যানেল এবং ভিডিও তৈরি করে কিংবা সংগ্রহকৃত ভিডিও আপ করে আয় করতে পারেন ডলার।
বানিয়ে ফেলুন ইউটিউব চ্যানেল
নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল হতে পারে নিজেকে মেলে ধরার অসাধারণ একটি উপায়। প্রথমেই আপনাকে জিমেইল আইডির মাধ্যমে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে নিতে হবে। YouTube.Com-এ গিয়ে জিমেইল আইডির মাধ্যমে Signup করলেই আপনার ইউটিউব চ্যানেল তৈরি হয়ে যাবে। তারপর বামপাশের অপশন হতে My Channel-এ ক্লিক করলে আপনার চ্যানেল দেখতে পারবেন। আপনার চ্যানেলটির নামের ওপরে Video Manager নামে আরেকটি অপশন দেখতে পাবেন। তাতে ক্লিক করুন। এখন বামপাশের চ্যানেল অপশনে ক্লিক করার পর ডানে অনেক অপশন দেখতে পারবেন। সেখানে আপনার নামের পাশে থাকা Partner থেকে মোবাইল নম্বর দিয়ে Partner Verified করতে হবে। Partner Verified না করলে আপনার ভিডিওগুলোকে Monetized করতে পারবেন না।
চ্যানেলের একেবারে ওপরে আছে অনেক অপশনসমৃদ্ধ মেন্যু, যার সাহায্যে বিশেষ কোনো দক্ষতা বা কোনো ঝামেলা ছাড়াই নানা রকমের কাস্টমাইজেশন করতে পারবেন। চ্যানেলে নতুন বুলেটিন যোগ করলে এর চেহারায় তেমন কোনো পরিবর্তন আসবে না। ফেসবুকের স্ট্যাটাসের মতোই বুলেটিন হচ্ছে ইউটিউব চ্যানেলের যে কোনো আপডেট বা পরিবর্তন সম্বন্ধে সাবসক্রাইবারদের অবহিত করা। নতুন ভিডিও আপলোড করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তা সাবসস্ক্রাইবারদের নিউজ ফিডের মাধ্যমে জানানো হবে। এরপর আছে সেটিংস ট্যাব। আপনার চ্যানেলের কোনো শিরোনাম যে থাকতেই হবে এমন কোনো কথা নেই। তবে শিরোনাম থাকলে সাবসক্রাইবারদের সুবিধা হবে।
আপনার চ্যানেলকে পারসোনালাইজ করার পর সুন্দর সব ভিডিও তৈরি করুন, নিজের ক্যামেরাই হোক আর হাতের মুঠোফোনটা ব্যবহার করেই হোক না কেন ভালো, মানসম্মত ভিডিও নিয়মিত আপলোড করতে থাকুন। আপনার চ্যানেল আর দশটি জনপ্রিয় চ্যানেলের সমান কিংবা তাদের থেকেও বেশি জনপ্রিয় হতে কে ঠেকাচ্ছে?
ভিডিওগুলো বিভিন্ন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট যেমন- ফেসবুক, টুইটার, গুগল+ ইত্যাদিগুলোতে শেয়ার করুন। আপনার ভিডিওয়ের জন্য ব্যাকলিংক তৈরি করুন। একটা কথা ভালো করে মনে রাখবেন, ইউটিউব ভিডিও পাবলিশিংও এক ধরনের ব্লগিং। তাই আপনাকে ইউটউব, গুগল এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে ভালো অবস্থানে আসার জন্য অবশ্যই কিছু ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে। শুধু আপনার টপিক রিলেটেড সাইটে লিংক তৈরি করুন। আপনার মতো কাজ করছেন এমন লোকদের অনুসরণ করুন।
কীভাবে আয় করবেন
আপনি যদি জনপ্রিয় ভিডিও তৈরি করতে পারেন বা আপনার চ্যানেল জনপ্রিয় হয়, তাহলে আপনি ইউটিউবের অ্যাডসেন্স পার্টনারশিপ থেকেই একটা অফার পেতে পারেন। তবে এজন্য প্রথমেই আপনার ভিডিওটি আপলোড করুন। আপলোড হওয়ার পর ভিডিওটির নিচের দিকে Monetized অপশন দেখতে পারবেন। এখানে Monetize with ads অপশনে ঠিক চিহ্ন দিয়ে দিলেই আপনার ভিডিওটিতে এখন থেকে গুগল বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেখাবে। তবে সাবধান কোনো ধরনের কপি করা ভিডিও আপলোড করবেন না। তাহলে ইউটিউব যে কোনো সময় আপনার Monetized অপশন নিষ্ক্রিয় করে দেবে।
এখন ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে গুগল অ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। এই অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে আপনি ডলার উত্তোলন করবেন। এখন আবার বামপাশের Channel অপশন হতে Monetization অপশনে ক্লিক করে ডানপাশে Enable Monetization বাটন হতে Monetization সক্রিয় করে নিতে হবে। এরপর নিচের দিকে How Will Paid নামে আরেকটি অপশন পাবেন। সেখানে associate an AdSense account-এ ক্লিক করে Next ক্লিক করে জিমেইল আইডির মাধ্যমে লগইন করে যাবতীয় তথ্য দিলেই অ্যাডসেন্স চালুর অনুরোধ চলে যাবে। এখন ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভ মেইল আপনার ইনবক্সে চলে আসবে।
কীভাবে আয় বাড়াবেন
নতুন ভিডিও আপলোড করার পর ভিডিওটি সম্পর্কে তার নিচে বর্ণনা দিতে হবে। তাহলে ইউটিউব সহজে আপনার ভিডিওটি সম্পর্কে ধারণা পেয়ে যাবে। এতে ইউটিউব নির্ধারিত টপিক অনুযায়ী ভিজিটরদের কাছে ভিডিওটি পৌঁছে দেবে।
ভিডিওগুলো বিভিন্ন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট যেমন- ফেসবুক, টুইটারে শেয়ার করুন। আপনার ভিডিওয়ের জন্য ব্যাকলিংক তৈরি করুন। মনে রাখতে ইউটিউবে ভিডিও পাবলিশিংও এক ধরনের বল্গগিং। তাই ইউটিউব, গুগল এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে ভালো অবস্থানে আসার জন্য অবশ্যই কিছু ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে। শুধু আপনার বিষয় সম্পর্কিত সাইটে লিংক তৈরি করুন। আপনার প্রতিযোগীদের বা আপনার মতো কাজ করছেন এ রকম ব্যক্তিদের অনুসরণ করুন। মনে রাখতে হবে চ্যানেলের দর্শক বৃদ্ধি মানেই হচ্ছে আপনার আয় বেড়ে যাওয়া।
আপনি যে বিষয় নিয়ে ভিডিও টিউটোরিয়াল বা ভিডিও তৈরি করছেন এ রকম অন্য জনপ্রিয় সাইটগুলোতে আপনার ভিডিওটির লিংক দিয়ে দিতে পারেন। এতে করে সেখান থেকেও আপনার সাইটে প্রচুর ভিজিটর পেয়ে যাবেন।
এ ছাড়াও বিভিন্ন পণ্যের ভিডিও রিভিউ দিয়ে বা বিজ্ঞাপন ভিডিওয়ের মাঝে দিয়ে আয় করা যায়। ভিডিওয়ের ডিসক্রিপশনে বিভিন্ন পণ্যের অ্যাফিলিয়েট লিংক দিয়ে দিতে পারেন। কোনো পণ্য বিক্রি হলেই আপনি টাকা পাবেন।
আপনি যদি সুন্দর একটা নামের বা ভালো কিওয়ার্ডের চ্যানেলের মালিক হন তবে সেটা বিক্রি করেও এককালীন আয় করে নিতে পারেন। 

আউটসোর্সিংয়ে ক্যারিয়ার



Outsourcing কী ?
Outsourcing হচ্ছে যে কাজটা আমি বাইরে থেকে করে নিয়ে আসছি, যেটা মূলত in-house production নয়। আমরা এখানে মূলত Internet base outsourcing এর কথা বলছি। আমরা চাইলে যে কেউ outsourcing করতে পারি সেক্ষেত্রে আমাদের computer সম্পর্কে একটা basic ধারণা থাকা প্রয়োজন এবং যেকোনো একটি বিষয়ে expert হওয়া প্রয়োজন।
কীভাবে আমরা Outsourcing করব?
Outsourcing করার জন্যে অনেক on-line marketplace রয়েছে। এখানে আমরা তিনটি জনপ্রিয় marketplace এর কথা বলছি যেমন :
www.upwork.com
www.Freelancer.com
www.Guru.com
এদের মধ্যে upwork সব থেকে বেশি জনপ্রিয় কারণ এখানে available কাজ পাওয়া যায়, বাংলাদেশের অনেকেই এখানে কাজ করে। upwork এ কাজের rating অনেক বেশি, কিন্তু এখানে কাজ করার জন্যে একটু বেশি দক্ষতার প্রয়োজন।
On-line marketplace এ ২ ধরনের member রয়েছে:
Employer (যারা আমাদের কাজ দেন) Contractor (আমরা যারা কাজ করি)
Outsourcing work category:
এখানে সাধরণত দুই ধরনের কাজ আছে non-technical এবং technical. Technical কাজ করার জন্যে আপনাকে computer এর অনেক বিষয়ে expert হতে হবে কিন্তু non-technical কাজের জন্যে আপনাকে শুধুমাত্র specific একটি বিষয়ের উপর দক্ষ হলেই চলবে।
Non-technical Category:
Writing & Translation Administrative Support Customer Support Sales & Marketing Business Service
Technical Category:
Web Development Software Development Design & Multimedia Network & Information system এসব কাজের জন্যে আপনাকে কারো কাছে যেতে হবে না। আপনি যে কাজটি ভাল জানেন ঘরে বসে সেই কাজটি করতে পারেন।
Payment Method:
আমরা যে কাজগুলো করব সবগুলোর payment পাওয়ার জন্যে বেশ কয়েকটি মাধ্যম রয়েছে যেমন:
Bank Ware Skrill Payoneer Paypal এদের মধ্যে Bank Ware এবং Skrill খুব বেশি জনপ্রিয়।

ফ্রীল্যান্সিং আউটসোর্সিং ট্রেনিং


বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং পেশা ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আমরা যখন মনস্থির করে ফেলি যে, আমরা ফ্রিল্যান্সিং কেই পেশা হিসেবে নিতে চাই তখন আমাদের অবশ্যই এটাও চিন্তা করতে হবে যে, আমি কোন সেক্টরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।
আমরা অনেকেই সবচেয়ে বড় ভুলটা করে থাকি। সেটা হল, “আমরা একজন যেটা করছে আমিও সেটা করব” এই ধরনের একটা ভাবনা কাজ করে। আর এই ধারনাটাই হল সেক্টর নির্বাচন এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভুল।
আমরা বর্তমানে যেসব সেক্টর এর সাথে অধিক পরিচিত সেগুলো হল ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, এসইও, এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, গুগল এডসেন্স কেই চিনি অথবা এগুলকেই প্রাধান্য দেই। যেহেতু আমরা সবাই এসব সেক্টর কে বেশি চিনি অথবা বেশি শুনে থাকি, সেহেতু আমরা সবাই এসব সেক্টর এই ঝাঁপিয়ে পড়ি। এতে করে যেটা হয় তা হল, একই সেক্টরে কম্পেটিশন অনেক বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে, মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। কারণ, একটা কাজ এর জন্য আপনাকে অনেক কম্পেটিটর কে হারিয়ে আপনি কাজটা পেতে পারেন। এক্ষেত্রে আমাদের করনীয় কি?
সর্বপ্রথম আপনাকে যেটা ভাবতে হবে সেটা হল আপনি কোন ধরনের কাজ করে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। কারন এতে সাফল্যের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। তাছাড়া, আর একটা দিকে বিবেচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি যে, কোন সেক্টরে গেলে আমি ভাল করতে পারবো অথবা আমার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকবে। আর, এই চিন্তাটা অনেক পজিটিভ। 
আমাদের অফিসের ঠিকানা:
৮৭, বিএনএস সেন্টার, ৬ষ্ঠ তলা (রুম নং# ৬১০/এ, এবং ৬১৪),
সেক্টর # ০৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।
হ্যালো : ০১৯৩৫ ৯০০ ৯৩৩, ০১৬১১ ৯০০ ৯৩৩
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: www.uttarainfotech.com
অথবা
নন্দী ভবন - (৩য় তলা),
(ইসলামী ব্যাংক সংলগ্ন, গাজীপুর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনষ্টিটিউট পাশের বিল্ডিং),
চন্দনা চৌরাস্তা, জয়দেবপুর, গাজীপুর।
হ্যালো : ০১৯৭৩ ৯০০ ৯৩৩
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: www.uit.com.bd

আউটসোর্সিং / ফ্রীল্যান্সিং-ই আমার জীবন বদলে দিয়েছে : মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল মজুমদার


বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে অন্যতম সৃজনশীল পেশার নাম হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। ওয়েব দুনিয়ায় শত শত ওয়েবসাইট এবং নানান রকম ওয়েব ডিজাইন এর মাধ্যমে নিজ নিজ সৃজনশীলতার পরিচয় তুলে ধরছে আজ প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনারগণ। আপনি যদি সৃজনশীল কিছু করতে চান বা সৃজনশীল কাজ করতে বেশি ভালবাসেন তবে ওয়েব ডিজাইনিং হবে আপনার জন্য সর্ব উত্তম পেশা। প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার বর্তমান সময়ের অন্যতম লোভনীয় প্রফেশন। একজন প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার এর কাজের ক্ষেত্র অনেক বিস্তৃত। কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান গুলোতে প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার হিসাবে চাকুরির পাশাপাশি ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিংও করার সুযোগ রয়েছে। তাই দিনদিন ওয়েব ডিজাইনিং কিংবা ওয়েব ডিজাইন -এর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। উত্তরা ইনফোটেক দক্ষ ও প্রফেশনাল প্রশিক্ষক দ্বারা আন্তরিকতার সহিত ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর কাজ শিখিয়ে থাকেন।
বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে আউটসোর্সিং করে অনেকেই নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করছে। আপনি যদি সৃজনশীল কিছু করতে চান বা সৃজনশীল কাজ করতে বেশি ভালবাসেন তবে ফ্রীল্যান্সিং-ই হউক আপনার জন্য সর্ব উত্তম পেশা। দেশকে বেকার সমস্যা দূর করতে দেশের বিভিন্ন আইটি প্রতিষ্ঠানের সাথে উত্তরা ইনফোটেক’ও সমান ধারায় আইটি আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সেই আন্দোলনে শরিক হয়ে অনেকেই বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে নিজের  ভাগ্যকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছেন।
২০১১ সাল থেকে উত্তরা ইনফোটেক যাত্রা শুরু করে প্রায় ৫০০ প্রশিক্ষিত সুদক্ষ যুবককে আইটি জগতে ক্যারিয়ার গড়তে সহযোগিতা করেছে। যাদের অনেকেই বর্তমানে আইটি পেশায় নিজের ক্যারিয়ার প্রতিষ্ঠিত করেছে। উত্তরা ইনফোটেক থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়া অনেকের মধ্যে আমিও একজন।
সোলানী ভবিষৎতের কথা চিন্তা করে আমি আইটি সেক্টরের মাধ্যমে ডিজিটাল ক্যারিয়ার গড়ব বলে সিদ্ধান্ত ২০১২ সালে। তখন ভাল মানের আইটি প্রতিষ্ঠান তেমন ছিল না। আমি আমার বন্ধুদের মাধ্যমে উত্তরা ইনফোটেক সম্পর্কে জানতে পারি। পরে এই প্রতিষ্ঠানে এসে আইটি ক্যারিয়ার সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জানতে পারি। উত্তরা ইনফোটেক এর পরিবেশ, প্রশিক্ষণ প্রদানের দক্ষতা ও প্রশিক্ষণ পরিবর্তী সহযোগিতার কথা জানতে পেরে নিজেকে এই প্রতিষ্ঠানের একজন ছাত্র হিসাবে যুক্ত করি এবং উত্তরা ইনফোটেক এ প্রশিক্ষন নিয়ে নিজেকে একজন দক্ষ ফ্রীল্যান্সার হিসাবে তৈরী করতে সমর্থ হই।
বর্তমানে আমি বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করি। প্রতিদিন প্রায় আট ঘণ্টা সময় ব্যয় করে আমি প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৭৫,০০০ টাকা বা তারও বেশি আয় করি। তবে যে যত বেশি সময় দিতে পারবে সে তত বেশি আয় করতে পারবে। দেশে বসে বিদেশি ডলার আয় করতে বেশ ভালই লাগে। এই সেক্টরে কাজ করতে এসে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মূখীন হয়েছি, সেক্ষেত্রে উত্তরা ইনফোটেক থেকে আমি সব সময় সহযোগিতা পেয়েছি, এখনও পাচ্ছি।
নতুনদের উদ্দেশ্যে বলছি আইটি সেক্টরে আসতে নিজের ইচ্ছা শক্তি ও কম্পিউটার সম্পর্কে জ্ঞান থাকলেই যে কেউ আইটি বিষয়ে কাজ শিখে অনলাইন থেকে টাকা উপার্জন করতে পারবে।
পরিশেষে আমি গর্বের সাথে বলছি, উত্তরা ইনফোটেকই আমার ভাগ্য পরিবর্তন করেছে আমি উত্তরা ইনফোটেক ও উত্তরা ইনফোটেক এর সকল প্রশিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ’কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।