এবার বিজ্ঞাপনী আয়ে ফেসবুকের নজর


ক্রমবর্ধমান বাজারে ক্ষুদ্র ব্যবসার প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের কাছে সরাসরি তাদের পণ্য বা সেবা বিক্রি করতে পারে, এ জন্য ফেসবুক পেইজে নতুন সুবিধা এনেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগের এ মাধ্যমটি। বুধবার ফেসবুকের পক্ষ থেকে এ খবর জানানো হয়। 
এক সাক্ষাৎকারে ফেসবুক পেইজের পণ্য বিপণন পরিচালক বেনজি শোমেইর বলেন, যদি কোনো ব্যবসা তাদের পেইজ থেকে আয় দেখতে পায়, তাহলে একটা বড় সুযোগ আছে যে তারা বিজ্ঞাপনদাতা হবে।
বিশ্বব্যাপী ছয় কোটিরও বেশি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ফেসবুক পেইজ ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। এছাড়া ফেসবুকে বর্তমানে সক্রিয় বিজ্ঞাপনদাতার সংখ্যা ৩০ লাখ। 
ব্যবহারকারীদের জন্য ফেসবুকের সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধিপ্রাপ্ত বাজার হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। 

ক্ষতি হতে পারে ফ্রি ওয়াইফাই থেকে!



বাসা কিংবা অফিসের ওয়াইফাইয়ের নিরাপত্তা সম্পর্কে আপনি ওয়াকিবহাল থাকলেও থাকতে পারেন। কিন্তু এর বাইরে? আপনি জানেনও না অপরিচিত ফ্রি ওয়াইফাই থেকে আপনার কী ভয়ানক ক্ষতি হতে পারে:
০১. অপরিচিত ফ্রি-ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক মানেই কি ফাঁদ? নর্টনস সাইবার সিকিউরিটি ইনসাইট রিপোর্ট বলছে, অধিকাংশ অনামী ফ্রি ওয়াইফাই হ্যাকারদের ফাঁদ। পৃথিবীর প্রায় ৫০ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ক্রেডিট কার্ড কারচুপির শিকার হচ্ছেন। বেশিরভাগই ওয়াইফাইয়ের মধ্যে হ্যাক হচ্ছে বলে দাবি রিপোর্টের।
০২. ইন্টেল সিকিউরিটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর জগদীশ মহাপাত্র একটি নামী গ্যাজেটস ওয়েবসাইটকে জানিয়েছেন, অনেক প্রোমোশনাল লিঙ্কের মধ্যে দিয়ে হ্যাকাররা নজরদারি চালায়।
০৩. বিশেষ করে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রোমোশনাল লিঙ্কের মাধ্যম দিয়ে চুরি করতে পারে স্মার্টফোনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
০৪. ফ্রি পার্সওয়ার্ড ওয়াইফাইয়ে অনেক সময় ‘অথেনটিকেশনের’ সমস্যা হয়। ফ্রি ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে ফায়ারশিপের মাধ্যমে চুরি হয়ে যেতে পারে আপনার মোবাইল তথ্য।
০৫. ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে হ্যাকারদের আর এক ধরনের প্রচলিত ফাঁদ হল ম্যান ইন দ্য মিডল অ্যাটাক। অ্যাকসেস পয়েন্ট থেকে আপনার স্মার্টফোন, এই নেটওয়ার্কের মাঝে হ্যাকাররা রাউটারের মাধ্যমে অনায়াসে চুরি করতে পারে যে কোনও তথ্য।
০৬. সাইডজ্যাকিং আর এক ধরণের ফ্রি ওয়াইফাই হ্যাকিং পদ্ধতি যেখানে আনএনক্রাপ্টেড কুকি মাধ্যমে চুরি হয়ে যেতে পারে মেল, ফেসবুক পার্সওয়ার্ড।
০৭. কীভাবে বাঁচবেন এইসব হ্যাকারদের কাছ থেকে? অচেনা, পার্সওয়ার্ড ছাড়া ফ্রি ওয়াইফাই থেকে দূরে থাকুন।

চোখের মেগা পিক্সেল কত?



যে চোখ দিয়ে আমরা ছবি এবং ক্যামেরাসহ সবকিছুই দেখি সেই চোখের মেগা পিক্সেল কত? কখনো কি জানতে ইচ্ছে হয়েছে আমাদের? অন্যান্য ক্যামেরার মতো মানুষের চোখেরও নির্দিষ্ট মেগা পিক্সেল রয়েছে।
সাধারণত মানুষের চোখের রেটিনাতে ৫ মিলিয়ন কোন রিসিপটরস থাকে। এই কোনস রিসিপটরগুলোর সাহায্যে চোখ অন্যান্য রঙ চিনতে পারে। এতে আপনার মনে হতে পারে মানুষের চোখের মেগাপিক্সেল পাঁচ হবে। কিন্তু মানুষের চোখকে দেখার উপযোগী করতে আরো কিছু উপাদান কাজ করে। মানুষের চোখে ১০০ মিলিয়ন  রডস থাকে যা মনোক্রম কনট্রাস্ট শণাক্ত করে। এই রডসগুলো কোন দৃশ্যের ইমেজের শার্পনেস দেখার সুযোগ করে দেয়। এই রডসগুলোর ক্ষমতা ১০৫ মেগা পিক্সেলের সমমান হলেও শুধু এই রডসগুলোর মেগা পিক্সেল দিয়ে চোখের মেগাপিক্সেল সম্পর্কে পুরোপুরি তথ্য দেয়া যায় না।
দুটি চোখ প্রতিনিয়ত নড়াচড়া করছে আসে পাশের সর্বোচ্চ অঞ্চল দেখার জন্য এবং এই দৃশ্য চোখে ধারণ করার পর মস্তিষ্কে চূড়ান্ত রুপ পায়। এটা অনেকটা প্যানারোমিক ভিউর মতো। ভালো আলোতে আপনি দুটি লাইন পরিষ্কার দেখতে পাবেন যদি তারা আলাদা থাকে এবং এদের মধ্যকার দুরত্ব থাকে দশমিক ৬ এআরসি মিটার।
এখানের পিক্সেল সাইজগুলো দশমিক ৩ এআরসি মিনিটের সমান। আপনি যদি ১২০ ডিগ্রি হরিজন্টাল ভিউতে এবং ৬০ ডিগ্রিতে ভার্টিক্যালভাবে দেখেন তাহলে আপনার চোখের মেগা পিক্সেলের পরিমাণ দাঁড়াবে ৫৭৬ মেগা পিক্সেল।
সাধারণভাবে, প্রতিটি সুস্থ মানুষের চোখের মেগা পিক্সেল হয় ৫৭৬ মেগা পিক্সেল।

‘‘২০১৮ সালের মধ্যে আইসিটি খাতে রপ্তানি বাড়বে বিলিয়ন ডলার”



প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, ২০১৮ সালের মধ্যেই তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে রপ্তানি আয় বাড়বে বিলিয়ন ডলার।
তিনি বলেন, ‘আমরা দেশকে ডিজিটাল করার যে ঘোষণা দিয়েছিলাম, তা বাস্তবায়ন করতে পেরেছি। আশা করছি সরকারের এই মেয়াদে আমাদের সব রূপকল্প বাস্তবায়ন করতে পারব। এরই অংশ হিসেবে ২০১৮ সালের মধ্যেই আইসিটি খাতে রপ্তানি আয় বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে।’
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক বিপিও সামিটে তিনি এসব কথা বলেন। সামিটে বাংলাদেশি তরুণদের বিভিন্ন উদ্ভাবনের প্রশংসা করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিই অভিভূত আমাদের অসাধারণ উদ্ভাবনে। এটাকে আরও বাড়াতে হবে। আমি সবার আইডিয়া দেখেছি, কাজ দেখেছি। এখন আমি শুধু আত্মবিশ্বাসীই নই, আমি জানি, বাংলাদেশ আগামীতে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেবে।’ ২০২১ সালের মধ্যে দেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাত আয়ের দিক থেকে তৈরি পোশাক শিল্পকে ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তরুণদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘সরকার তরুণদের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তাই আপনাদের (তরুণ) লক্ষ্য অর্জনে চর্চা করতে হবে, সময় দিতে হবে। কীভাবে প্রযুক্তিকে আরও সহজ করা যায়, তার সমাধান খুঁজতে হবে। মেধা ও কল্পনাশক্তিকে কাজে লাগাতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আইসিটির বিভিন্ন সেক্টরে তরুণদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ রাখা হয়েছে। সেগুলোকে কাজে লাগাতে হবে।`
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিইউ) সেক্রেটারি জেনারেল হাউলিন ঝাউ, বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ, আইসিটি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর শিকদার।
আমাদের অফিসের ঠিকানা:
৮৭, বিএনএস সেন্টার,৬ষ্ঠ তলা (রুম নং# ৬১০/এ, এবং ৬১৪),সেক্টর # ০৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।হ্যালো : ০১৬১১ ৯০০ ৯৩৩
অথবা
নন্দী ভবন - (৩য় তলা),(ইসলামী ব্যাংক সংলগ্ন, গাজীপুর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনষ্টিটিউট এর পাশের বিল্ডিং),চন্দনা চৌরাস্তা, জয়দেবপুর, গাজীপুর।হ্যালো : ০১৯৭৩ ৯০০ ৯৩৩বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন:
www.uit.com.bdwww.uttarainfotech.com

ইন্টারনেটে তথ্য গোপন রাখার উপায়






অনলাইনের যুগে সবকিছু কতই না সহজ মনে হয়। দিনের বেশির ভাগটাই কাটে এই ইন্টারনেটে। কাজের প্রয়োজনেই বিভিন্ন সাইটে নিজের ইমেইল, ক্রেডিট কার্ড, ঠিকানা ইত্যাদি তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। আর এই সুযোগের অপেক্ষাতেই থাকে হ্যাকাররা। ব্যবহারকারীকে বোকা বানিয়ে নিমিষেই হাতিয়ে নেয় গোপন তথ্য৷ এই সাতটি বিশেষ টিপস মেনে চললে আপনি কিছুটা হলেও রক্ষা করতে পারবেন আপনার কোন গোপন তথ্যকে৷
১৷ পাসওয়ার্ড নিজের কাছে রাখুন
কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের ও ব্যাংক কার্ডের পাসওয়ার্ড যেন কখনই এক না হয়৷ এছাড়া কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটে কোনো পাসওয়ার্ড লিখে রাখবেন না৷ এর ফলে আপনার তথ্য চুরির সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়৷ বাড়ির বাইরে গেলে এগুলি লক করে যান৷
২৷ ‘গুগল অ্যালার্ট’ ব্যবহার করুন
এটা খুব সহজ পন্থা, আপনি যদি দেখতে চান ইন্টারনেটে আপনার সম্পর্কে সবাই কী বলছে৷ সোজা এই ঠিকানায় যান – http://www.google.com/alerts এবং আপনার নাম লিখুন৷ তারপর আপনার নামের বিভিন্ন ধরন লিখে, তার আগে ও পরে ‘কোটেশন মার্ক’ জুড়ে দিন৷ আর দেখে নিন প্রয়োজনীয় তথ্য৷
৩৷ ব্যবহারের পর লক্ষ্য রাখা
আপনি যদি অন্য কারো কম্পিউটার বা ট্যাবলেট ব্যবহার করেন, তবে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ জিনিস লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন৷ আপনার পর যিনি সেটা ব্যবহার করবেন, তিনি যাতে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে না পারে – সেটা খেয়াল রাখুন৷ আপনি যদি এটা করতে ভুলে যান, তাহলে ফলাফল ভয়াবহ হতে পারে৷
৪৷ জিপ কোড ব্যবহার করতে না দেয়া
অচেনা কোনো মানুষ এই নম্বরগুলো জানতে চাইলে, আপনারা দেবেন না৷ দেখা যায় কোনো অফিস তাঁর কর্মীর কাছ থেকে এ সব তথ্য চাইলে, অনেকেই স্বেচ্ছায় তা দিয়ে দেয়৷ বহু অফিস এ নিয়ে একটি প্রোফাইল তৈরি করে৷ আপনার কিন্তু এ সব তথ্য না দেয়ার অধিকার আছে৷ তাই আপনি যদি এতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করেন, তবে দেবেন না৷
৫৷ কার্ড নয় ক্যাশ
আপনি যদি চান আপনি যে পণ্যটি কিনছেন, সেই কোম্পানি আপনারা পরিচয় না জানুক, তবে নগদ অর্থে জিনিস কিনুন৷
৬৷ ফেসবুকে নিরাপত্তার জন্য ‘ফ্রেন্ডস’ ব্যবহার করুন
ফেসবুকে সবসময় ‘সিকিউরিটি’ বা নিরাপত্তা পরীক্ষা করুন৷ পোস্ট করার পর লক্ষ্য রাখুন আপনি আপনার ছবি বা মন্তব্য ‘ফ্রেন্ডস’ করে রেখেছেন, নাকি ‘পাবলিক’ করেছেন৷ আপনি যদি ‘স্পেশ্যাল’ নির্বাচন করেন এবং ঠিক করে দেন কে কে আপনার পোস্ট দেখতে পাবে, তবে সেটা আপনার তথ্য নিরাপত্তার জন্য তুলনামূলক ভাবে ভালো৷
৭৷ ‘হিস্ট্রি’ মুছে ফেলুন
আপনি সর্বশেষ কবে এটা করেছেন? আপনি যদি নিশ্চিত না হন, ব্রাউজারে গিয়ে এটা পরিবর্তন করুন৷ ব্রাউজারের ‘প্রাইভেসি সেটিংস’-এ যান, সেখানে ‘নেভার রিমেমবার হিস্ট্রি’ নির্বাচন করুন৷ মুছে ফেলুন আপনার হিস্ট্রি৷

Spacial Offer For Web Development Training



ভর্তি চলবে : ০৮/০৯/২০১৬ পর্যন্ত

বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে অন্যতম সৃজনশীল পেশার নাম হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। ওয়েব দুনিয়ায় শত শত ওয়েবসাইট এবং নানান রকম ওয়েব ডিজাইন এর মাধ্যমে নিজ নিজ সৃজনশীলতার পরিচয় তুলে ধরছে আজ প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনারগণ। আপনি যদি সৃজনশীল কিছু করতে চান বা সৃজনশীল কাজ করতে বেশি ভালবাসেন তবে ওয়েব ডিজাইনিং হবে আপনার জন্য সর্ব উত্তম পেশা। প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার বর্তমান সময়ের অন্যতম লোভনীয় প্রফেশন। একজন প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার এর কাজের ক্ষেত্র অনেক বিস্তৃত। কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান গুলোতে প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার হিসাবে চাকুরির পাশাপাশি ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিংও করার সুযোগ রয়েছে। তাই দিনদিন ওয়েব ডিজাইনিং কিংবা ওয়েব ডিজাইন -এর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। উত্তরা ইনফোটেক দক্ষ ও প্রফেশনাল প্রশিক্ষক দ্বারা আন্তরিকতার সহিত ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর কাজ শিখিয়ে থাকেন।
কি কি শিখতে পারবনে এই কোর্স থেকে:
১. এইচটিএমএল, এইচটিএমএল-৫
২. সিএসএস, সিএসএস-৩
৩. জাভাস্ক্রিপ্ট
৪. জে-কোয়েরি
৫. পিএসডি টু এইচটিএমএল
৬. পিএইচপি
৭. ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি ব্লগসাইট তৈরি করতে হয়
৮. ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল তৈরি করতে হয়
৯. ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি ব্যাবসায়িক সাইট তৈরি করতে হয়
১০. ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি অনলাইন শপিং/ই-কমার্স সাইট তৈরি করতে হয় ।
এছাড়াও পাচ্ছেনঃ
-মাল্টি-মিডিয়া প্রজেক্টর দ্বারা ক্লাসের ব্যবস্থা।
– আন্তরিক ও প্রফেশনাল প্রশিক্ষণ Environment.
– প্রতিটি ক্লাসের Video Script।
– সকলেই ওয়েব ডিজাইনিং এর রিয়াল প্রজেক্টে কাজ করার সুবিধা পাবে।
ভর্তি এবং প্রশিক্ষণ ফি:
আমাদের আপকামিং ব্যাচটির ক্লাশ হবে সপ্তাহে ০৩ দিন । ৩ মাসের প্রশিক্ষণ এবং এক মাসের রিয়েল লাইফ প্রজেক্ট সহ মোট প্রশিক্ষন ফি : ১২,৫০০/-.টাকা।
আমাদের অফিসের ঠিকানা:
৮৭, বিএনএস সেন্টার,
৬ষ্ঠ তলা (রুম নং# ৬১০/এ, এবং ৬১৪),
সেক্টর # ০৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।
হ্যালো : ০১৬১১ ৯০০ ৯৩৩
অথবা
নন্দী ভবনের – (৩য়  তলা),
(ইসলামী ব্যাংক সংলগ্ন, গাজীপুর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনষ্টিটিউট এর পাশের বিল্ডিং),
চন্দনা চৌরাস্তা, জয়দেবপুর, গাজীপুর।
হ্যালো : ০১৯৭৩ ৯০০ ৯৩৩
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন:
www.uit.com.bd,  www.uttarainfotech.com

Spacial Offer For Web Development Training


ভর্তি চলবে : ২০/০৮/২০১৬ পর্যন্ত

বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে অন্যতম সৃজনশীল পেশার নাম হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। ওয়েব দুনিয়ায় শত শত ওয়েবসাইট এবং নানান রকম ওয়েব ডিজাইন এর মাধ্যমে নিজ নিজ সৃজনশীলতার পরিচয় তুলে ধরছে আজ প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনারগণ। আপনি যদি সৃজনশীল কিছু করতে চান বা সৃজনশীল কাজ করতে বেশি ভালবাসেন তবে ওয়েব ডিজাইনিং হবে আপনার জন্য সর্ব উত্তম পেশা। প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার বর্তমান সময়ের অন্যতম লোভনীয় প্রফেশন। একজন প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার এর কাজের ক্ষেত্র অনেক বিস্তৃত। কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান গুলোতে প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার হিসাবে চাকুরির পাশাপাশি ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিংও করার সুযোগ রয়েছে। তাই দিনদিন ওয়েব ডিজাইনিং কিংবা ওয়েব ডিজাইন -এর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। উত্তরা ইনফোটেক দক্ষ ও প্রফেশনাল প্রশিক্ষক দ্বারা আন্তরিকতার সহিত ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর কাজ শিখিয়ে থাকেন।
কি কি শিখতে পারবনে এই কোর্স থেকে:
১. এইচটিএমএল, এইচটিএমএল-৫
২. সিএসএস, সিএসএস-৩
৩. জাভাস্ক্রিপ্ট
৪. জে-কোয়েরি
৫. পিএসডি টু এইচটিএমএল
৬. পিএইচপি
৭. ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি ব্লগসাইট তৈরি করতে হয়
৮. ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল তৈরি করতে হয়
৯. ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি ব্যাবসায়িক সাইট তৈরি করতে হয়
১০. ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি অনলাইন শপিং/ই-কমার্স সাইট তৈরি করতে হয় ।
এছাড়াও পাচ্ছেনঃ
-মাল্টি-মিডিয়া প্রজেক্টর দ্বারা ক্লাসের ব্যবস্থা।
– আন্তরিক ও প্রফেশনাল প্রশিক্ষণ Environment.
– প্রতিটি ক্লাসের Video Script।
– সকলেই ওয়েব ডিজাইনিং এর রিয়াল প্রজেক্টে কাজ করার সুবিধা পাবে।
ভর্তি এবং প্রশিক্ষণ ফি:
আমাদের আপকামিং ব্যাচটির ক্লাশ হবে সপ্তাহে ০৩ দিন । ৩ মাসের প্রশিক্ষণ এবং এক মাসের রিয়েল লাইফ প্রজেক্ট সহ মোট প্রশিক্ষন ফি : ১২,৫০০/-.টাকা।
আমাদের অফিসের ঠিকানা:
৮৭, বিএনএস সেন্টার,
৬ষ্ঠ তলা (রুম নং# ৬১০/এ, এবং ৬১৪),
সেক্টর # ০৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।
হ্যালো : ০১৬১১ ৯০০ ৯৩৩
অথবা
এস টাওয়ার – (৫ম তলা),
(ইসলামী ব্যাংক সংলগ্ন, গাজীপুর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনষ্টিটিউট এর উপরে),
চন্দনা চৌরাস্তা, জয়দেবপুর, গাজীপুর।
হ্যালো : ০১৯৭৩ ৯০০ ৯৩৩
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন:
www.uit.com.bd,  www.uttarainfotech.com