অনলাইনে সহজ কাজে বেশি কামাই

অনলাইনে সহজ কাজে বেশি কামাই
দেশের অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সার অ্যাপ-সফটওয়্যার-ওয়েব ডেভেলপ ও ডিজাইনের কাজ করে আয় করছেন। এসব কাজ করতে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার দরকার আছে। এর বাইরেও অনলাইনে অনেক সহজ কাজ আছে, যেগুলো কম সময়েই শেষ করা যায়। কাজের তুলনায় এসবে পেমেন্টও কিছুটা বেশি। আরো জানাচ্ছেন হাবিব তারেক
লেখালেখিতে আয়
অনলাইনের ভালো লেখকের কদর বেশ। সম্মানীও চড়া। তবে এর জন্য ভাষা, শব্দ প্রয়োগ, মূল বিষয়ে আগ্রহ তৈরি—এসব বিষয়ের ওপর দখল থাকতে হবে। বিদেশি অনেক ফ্রিল্যান্সারই অনলাইনে লেখালেখি করে আয় করছেন। তবে দেশের ফ্রিল্যান্সাররা এ কাজে অনেকটাই পিছিয়ে। কিছু একটা লিখলেই তা গ্রহণযোগ্যতার মাপকাঠিতে পাস করতে পারে না। যে টপিক নিয়ে লেখা হচ্ছে, তা নিয়ে ব্যাপক ধারণা রাখার পাশাপাশি লেখায় সঠিকভাবে তুলে ধরাটাও জরুরি। তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে লেখাটা কারো বিরক্তির কারণ না হয়, গুছিয়ে অল্প কথায় যেন বেশি তথ্য দেওয়া যায়।
অনেক সময় দেখা যায়, কম গুরুত্বপূর্ণ টপিকের লেখাও মানুষ মন দিয়ে পড়ে, সে ব্যাপারে আগ্রহীও হয়ে ওঠে। এখানেই লেখকের সার্থকতা। আর অনলাইনে বেশির ভাগ লেখার সঙ্গে কোনো না কোনো পণ্য বা প্রতিষ্ঠানের প্রচার-প্রসারের উদ্দেশ্য থাকে। ভালো লিখতে পারে, অনলাইনে খুব পরিচিত এমন কাউকে হায়ার করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
যেমন ধরুন, একজন পর্যটক নেটে নিয়মিত ভ্রমণ কাহিনী লেখেন। সোশ্যাল সাইটে তাঁর অভিজ্ঞতার কথা পড়ে অসংখ্য ফ্যান। এই জনপ্রিয়তা দেখে পর্যটন এলাকার এক রেস্টুরেন্ট মালিক চিন্তা করলেন, পর্যটকের লেখা তো ব্যবসার প্রসারে কাজে লাগানো যায়। তিনি সেই লেখকের সঙ্গে চুক্তিতে গেলেন—তাঁর রেস্টুরেন্ট নিয়ে ইতিবাচক কিছু লিখতে হবে। লেখক ওই এলাকার এক ভ্রমণ কাহিনীর একটি অংশে ওই রেস্টুরেন্টের তারিফ করে কয়েক লাইন জুড়ে দিলেন।
লেখালেখি করতে হলে মাথায় রাখতে হবে—
* পোস্ট স্বতন্ত্র হতে হবে। অন্য কোনো সাইট থেকে কপি করা যাবে না।
* লেখার মান ভালো হতে হবে।
* টপিক নির্ধারণ করতে হবে পছন্দের বা জানা বিষয়ে।
* ইংরেজি ভাষায় লেখালেখিতে অভ্যস্ত হতে হবে।
মাইক্রোওয়ার্কার্স
যাঁরা অনলাইনে কম পরিশ্রমে বা অল্প সময়ে কাজ করে পেমেন্ট পেতে চান, তাঁদের জন্য উপযোগী একটি সাইট হলো মাইক্রো ওয়ার্কার্স (microworkers.com)। এসব কাজের পেমেন্টের অঙ্ক কম মনে হলেও পরিশ্রমের তুলনায় খারাপ না।
সাইটটির বৈশিষ্ট্য—
* কাজ পেতে প্রতিযোগিতা হয় না অর্থাৎবিড করতে হয় না।
* কাজগুলো কম পরিশ্রমের, করতেও কম সময় লাগে।
* এখানকার কাজগুলো সাধারণত ৩০ মিনিটের মধ্যেই শেষ করা যায়।
* প্রতি কাজের আয় তিন-চার ডলারের মতো।
* মোট আয় অন্তত ১০ ডলার হলেই ওঠানো যায়।
মাইক্রোওয়ার্কার্সের মতো আরো কিছু সাইট আছে—
মিনিটওয়ার্কার্স : এ সাইটে বায়াররা নিয়মিত তাঁদের কাজের চাহিদা পোস্ট করেন, আর আগ্রহী ওয়ার্কার বা ফ্রিল্যান্সাররা সেগুলো করে পেমেন্ট পান।
রেপিডওয়ার্কার্স : এই সাইট (rapidworkers.com) থেকেও অল্প সময়ের কাজগুলো পাওয়া যাবে। প্রতি কাজে আয় দুই ডলারের মতো। এখানকার কাজগুলো হতে পারে এমন—সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ভোট, ফলো, লাইক, সাইনআপ ইত্যাদি।
মাই ইজি টাস্ক : এই সাইটও অনেকটা রেপিড ওয়ার্কার্সের মতো।
জব বয় : সাইন আপসহ বিভিন্ন কাজে ডলার মিলবে jobboy.com সাইট থেকে। এ ছাড়া অনেক ধরনের কাজের সুযোগ আছে সাইটটিতে। বিভিন্ন ফাইল ডাউনলোড, রিভিউ লেখার কাজ করতে হয় এখানে।
শর্ট টাস্ক : সাইট ভিজিট, সাইনআপ, ডাউনলোড, কমেন্ট—এ ধরনের কাজ পাওয়া যাবে shorttask.com-এ।
লিংক শেয়ারে আয়
অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে একটি কথা প্রচলিত, ‘আপনি যখন ঘুমে, তখনো আপনার অ্যাকাউন্টে ডলার যোগ হচ্ছে।’ এ ধরনের কথা লিংক শেয়ারিং থেকে আয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কোনো একটি বিশেষ কনটেন্ট বা পোস্টের লিংক adf.lyসাইটের মাধ্যমে কনভার্ট করলে লিংকের ঠিকানা পরিবর্তন হবে। এরপর পরিবর্তিত লিংকটি শেয়ার বা পোস্ট করার পর কেউ এতে ক্লিক করলে কিছুক্ষণ একটি বিজ্ঞাপন পৃষ্ঠা দেখাবে, তারপর মূল লিংকের পেজ খুলবে। অর্থাৎমূল পেজে যাওয়ার আগে adf.ly সাইটের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেখাবে, আয় এ থেকেই আসবে। সাধারণত প্রতি ১০ হাজার ক্লিকে পাঁচ ডলার করে দেয় adf.ly
পেমেন্ট যেভাবে
আপওয়ার্ক থেকে আয় করা ডলার হাতে পাওয়ার জন্য পেমেন্ট মেথড নির্ধারণ করতে হবে। সাইটটিতে লগ ইন করার পর ওপরে ডান দিকে প্রোফাইল মেন্যুতে ক্লিক করে সেটিংস থেকে ‘গেট পেইড’ অংশে যেতে হবে। সেখানে পেমেন্ট মেথড হিসেবে পেওনিয়ার (payoneer.com), স্ক্রিল (skrill.com), ফান্ড ট্রান্সফার আছে। এর মধ্যে পেওনিয়ার ও স্ক্রিল হচ্ছে পেমেন্ট গেটওয়ে। এদের সাইটে গিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে এ সেবা নেওয়া যাবে। চাইলে ‘ফান্ড ট্রান্সফার’ অংশে গিয়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যুক্ত করে পাওনা ক্যাশ করা যাবে। তবে এ ক্ষেত্রে প্রতি লেনদেনের চার্জ (৪.৯৯ ডলার) তুলনামূলক বেশি।

আমাদের অফিসের ঠিকানা:
৮৭, বিএনএস সেন্টার,৬ষ্ঠ তলা (রুম নং# ৬১০/এ, এবং ৬১৪),সেক্টর # ০৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।হ্যালো : ০১৬১১ ৯০০ ৯৩৩
অথবা
নন্দী ভবন - (৩য় তলা),(ইসলামী ব্যাংক সংলগ্ন, গাজীপুর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনষ্টিটিউট এর পাশের বিল্ডিং),চন্দনা চৌরাস্তা, জয়দেবপুর, গাজীপুর।হ্যালো : ০১৯৭৩ ৯০০ ৯৩৩বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন:
www.uit.com.bdwww.uttarainfotech.com

ঢাকার মেট্রোরেলে লোক লাগবে ২ হাজার

ঢাকার মেট্রোরেলে লোক লাগবে ২ হাজার, বেতনও অনেক
মেট্রোরেল কোম্পানিতে লোক লাগবে প্রায় ২ হাজার। বিভিন্ন পর্যায়ে দক্ষ ও স্বল্প দক্ষ লোকবল নিয়োগ দিতে পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাসকৃতদের এসব পদে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, জাইকার অর্থায়নে মেট্রোরেল কোম্পানিতে ১ হাজার ৯৬৩টি পদ সৃষ্টির জন্য পরামর্শ দিয়েছেন জাপানি পরামর্শকরা।
ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানিকে (ডিএমটিসি) এ পরামর্শ দেয় ঢাকা
মাস রেপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট (ডিএমআরটিডি)।
পরামর্শ মতে, অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, প্ল্যানিং ও অপারেশনে পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
জানা গেছে, প্রায় দুই হাজার পদের বেতন স্কেল হবে সরকারি চাকরিজীবীদের চেয়েও বেশি। এখনো পদগুলোর প্রস্তুতি ও বেতন স্কেল তৈরি হয়নি।
প্রায় ২ হাজার পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মহাব্যবস্থাপক, উপ-মহাব্যবস্থাপক এবং ব্যবস্থাপক থাকছে।
জাইকার (জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি) পক্ষ থেকে লোকবল নিয়োগের ব্যাপারে বলা হয়েছে, মেট্রোরেল কোম্পানিতে যাতে দুর্নীতি না হয়, সেজন্যই কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা সরকারি চাকরিজীবীদের চেয়ে বেশি ধরা হবে বলে সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, মেট্রোরেল কোম্পানিতে প্রাথমিক পর্যায়ে দুই হাজার জনবল নেয়া হলেও এর পরিমাণ আরো বাড়তে পারে। দীর্ঘমেয়াদেই লোকবল নিয়োগ দেয়া হতে পারে।

আমাদের অফিসের ঠিকানা:
৮৭, বিএনএস সেন্টার,৬ষ্ঠ তলা (রুম নং# ৬১০/এ, এবং ৬১৪),সেক্টর # ০৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।হ্যালো : ০১৬১১ ৯০০ ৯৩৩
অথবা
নন্দী ভবন - (৩য় তলা),(ইসলামী ব্যাংক সংলগ্ন, গাজীপুর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনষ্টিটিউট এর পাশের বিল্ডিং),চন্দনা চৌরাস্তা, জয়দেবপুর, গাজীপুর।হ্যালো : ০১৯৭৩ ৯০০ ৯৩৩বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন:
www.uit.com.bdwww.uttarainfotech.com


ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড নিয়ে বিসিসি–বেসিস চুক্তি

আগামী অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৬ যৌথভাবে আয়োজন করবে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)। এ সংক্রান্ত একটি সমঝোতা চুক্তি রোববার ঢাকায় বিসিসি কার্যালয়ে সই হয়েছে। বিসিসি সভাকক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিসিসির পক্ষে নির্বাহী পরিচালক এস এম আশরাফুল ইসলাম ও বেসিসের পক্ষে সভাপতি মোস্তাফা জব্বার সমঝোতা স্মারকে সই করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসির পরিচালক (প্রশিক্ষণ) মোহাম্মদ এনামুল কবির, বেসিসের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি রাসেল টি আহমেদ, সহসভাপতি এম রাশিদুল হাসান, পরিচালক উত্তম কুমার পাল, মোস্তাফিজুর রহমান ও সচিব হাশিম আহম্মদ।

আমাদের অফিসের ঠিকানা:
৮৭, বিএনএস সেন্টার,৬ষ্ঠ তলা (রুম নং# ৬১০/এ, এবং ৬১৪),সেক্টর # ০৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।হ্যালো : ০১৬১১ ৯০০ ৯৩৩
অথবা
নন্দী ভবন - (৩য় তলা),(ইসলামী ব্যাংক সংলগ্ন, গাজীপুর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনষ্টিটিউট এর পাশের বিল্ডিং),চন্দনা চৌরাস্তা, জয়দেবপুর, গাজীপুর।হ্যালো : ০১৯৭৩ ৯০০ ৯৩৩বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন:
www.uit.com.bdwww.uttarainfotech.com

কারা ব্যবহার করছে আপনার ওয়াই-ফাই?







স্মার্টফোনের ব্যবহার বাড়ায় তারহীন ওয়াই-ফাই রাউটারের ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে। এতে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে একই ইন্টারনেট সংযোগ কম্পিউটার ও মুঠোফোনে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করা যায়। আবার বিভিন্ন অফিস বা ব্যক্তিগতভাবে অনেকেই বিনা মূল্যে ওয়াই-ফাই সেবা দিয়ে থাকেন। প্রয়োজনের চেয়ে কম গতি পাওয়া কিংবা অনুমতি ছাড়া অনাকাঙ্ক্ষিত কেউ ব্যবহার করছে কি না, অনেক সময় তা জানার প্রয়োজন হতে পারে।
ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক ওয়াচার নামের সফটওয়্যার ব্যবহার করে এটি জানা যাবে। সফটওয়্যারটি পাওয়া যাবে http://goo.gl/3NW7Vx ঠিকানার ওয়েবসাইটে। ওয়েবপেজটির নিচের দিকে লিংক থেকে নামিয়ে নিয়ে সহজেই জানা যাবে কোন কোন আইপি (ইন্টারনেট প্রটোকল) ঠিকানা আপনার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছে। নেটওয়ার্কে নতুন কোনো ব্যবহারকারী যুক্ত হলে একটি বিপ শব্দের মাধ্যমে তা আপনাকে জানিয়ে দেবে। এ ছাড়া আরও অনেক সুবিধা পাওয়া যাবে এই সফটওয়্যারে।
আমাদের অফিসের ঠিকানা:
৮৭, বিএনএস সেন্টার,৬ষ্ঠ তলা (রুম নং# ৬১০/এ, এবং ৬১৪),সেক্টর # ০৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।হ্যালো : ০১৬১১ ৯০০ ৯৩৩
অথবা
নন্দী ভবন - (৩য় তলা),(ইসলামী ব্যাংক সংলগ্ন, গাজীপুর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনষ্টিটিউট এর পাশের বিল্ডিং),চন্দনা চৌরাস্তা, জয়দেবপুর, গাজীপুর।হ্যালো : ০১৯৭৩ ৯০০ ৯৩৩বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন:
www.uit.com.bdwww.uttarainfotech.com

কারা ব্যবহার করছে আপনার ওয়াই-ফাই?







স্মার্টফোনের ব্যবহার বাড়ায় তারহীন ওয়াই-ফাই রাউটারের ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে। এতে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে একই ইন্টারনেট সংযোগ কম্পিউটার ও মুঠোফোনে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করা যায়। আবার বিভিন্ন অফিস বা ব্যক্তিগতভাবে অনেকেই বিনা মূল্যে ওয়াই-ফাই সেবা দিয়ে থাকেন। প্রয়োজনের চেয়ে কম গতি পাওয়া কিংবা অনুমতি ছাড়া অনাকাঙ্ক্ষিত কেউ ব্যবহার করছে কি না, অনেক সময় তা জানার প্রয়োজন হতে পারে।
ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক ওয়াচার নামের সফটওয়্যার ব্যবহার করে এটি জানা যাবে। সফটওয়্যারটি পাওয়া যাবে http://goo.gl/3NW7Vx ঠিকানার ওয়েবসাইটে। ওয়েবপেজটির নিচের দিকে লিংক থেকে নামিয়ে নিয়ে সহজেই জানা যাবে কোন কোন আইপি (ইন্টারনেট প্রটোকল) ঠিকানা আপনার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছে। নেটওয়ার্কে নতুন কোনো ব্যবহারকারী যুক্ত হলে একটি বিপ শব্দের মাধ্যমে তা আপনাকে জানিয়ে দেবে। এ ছাড়া আরও অনেক সুবিধা পাওয়া যাবে এই সফটওয়্যারে।
আমাদের অফিসের ঠিকানা:৮৭, বিএনএস সেন্টার,৬ষ্ঠ তলা (রুম নং# ৬১০/এ, এবং ৬১৪),সেক্টর # ০৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।হ্যালো : ০১৬১১ ৯০০ ৯৩৩অথবানন্দী ভবন - (৩য় তলা),(ইসলামী ব্যাংক সংলগ্ন, গাজীপুর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনষ্টিটিউট এর পাশের বিল্ডিং),চন্দনা চৌরাস্তা, জয়দেবপুর, গাজীপুর।হ্যালো : ০১৯৭৩ ৯০০ ৯৩৩বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন:
www.uit.com.bdwww.uttarainfotech.com

online Freelancing Outsourcing Training

অনলাইনে উপার্জনের যতগুলো মাধ্যম রয়েছে, তন্মধ্যে ওয়েব সাইট ডিজাইন ও
ডেভলপমেন্ট হচ্ছে সবচেয়ে চাহিদাপূর্ণ ক্ষেত্র।

মূলতঃ সমগ্র বিশ্বের ছোট-বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিগত, সামাজিক প্রায় সকলেই ক্রমশঃ ইন্টারনেটের দিকে ঝুকেঁ পড়ছে। সকলেই চাচ্ছে, তার একটি ভার্চুয়াল ঠিকানা হোক। ফলে এ সম্পর্কিত কাজের জন্য ওয়েব ডিজাইনের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এ কারণে, ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে যত ধরনের কাজ রয়েছে, তার মধ্যে ওয়েব সাইট ডিজাইন ও ডেভলপমেন্টের কাজই সর্বাধিক।





>> কাজের ক্ষেত্র/চাহিদা
লোকাল মার্কেটঃ
লোকাল মার্কেট, অর্থাৎ বাংলাদেশে একজন দক্ষ ওয়েব ডিজাইনার/ডেভেলপার মাসে ২০,০০০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বেতন পেয়ে থাকে। 
অনলাইন মার্কেটপ্লেসঃ 
বিশ্বের সর্ববৃহৎ ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস অাপওয়ার্কে প্রতিদিন ওয়েব ডিজাইন/ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কিত হাজার হাজার কাজ জমা হচ্ছে। আপওয়ার্কে Find Jobs এ Web Design লিখে সার্চ দিলেই অনুধাবন করতে পারবেন ওয়েব ডিজাইনের চাহিদা।
এছারা, বিখ্যাত ও ব্যতিক্রমধর্মী মার্কেটপ্লেস ফাইভারে ওয়েব ডিজাইন/ডেভেলপার হিসাবে গিগ তৈরি করে প্রচুর অর্ডার পেতে পারেন।
প্রফেশনাল ও হাই স্কিলড ওয়েব ডিজাইনার/ডেভেলপারদের আদর্শ মার্কেটপ্লেস হচ্ছেThemeforest.com ওয়েব টেমপ্লেট বিক্রি করে এ সাইট হতে আয় করতে পারেন মাসে কয়েক শ হতে হাজার ডলারের উপরে।



>> কেমন আয় হতে পারে?
আয় নির্ভর করবে আপনার দক্ষতার উপর। আপনি যত দক্ষ হবেন আপনার আয় তত বেশি হবে। একজন প্রফেশনাল দক্ষ ওয়েব ডিজাইনারের পারিশ্রমিক বিভিন্ন জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেসগুলোতে ঘন্টা প্রতি ২০ ডলার হতে ৫০ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। অর্থাৎ, আপনার আউয়ারলি রেট যদি হয় ২০ ডলার (মিনিমাম হিসাবেই ধরুন), প্রতিদিন যদি ৫ ঘন্টা কাজ করেন তবে আয় হবে (২০x৫)=১০০ ডলার।
থিমফরেষ্ট উপযোগী ওয়েব টেমপ্লেট যদি তৈরি করতে পারেন, তবে এ সাইটে এপ্রুভ হলেই আর্নিংস শুরু। কারণ, পর্যবেক্ষণ করলে দেখবেন থিমফরেষ্টে ৯০% টেমপ্লেট এক মাসের মাথায় বিক্রির পরিমান ১০০ ওভার হয়ে যায়। চমৎকার এই মার্কেটপ্লেসে ওয়েব টেমপ্লেট ডিজাইনার হিসাবে প্রতিবার বিক্রয়ের উপর পাবেন গড়ে ৫০% কমিশন। নিচের লিংকটি দেখুন, একটি ওয়ার্ডপ্রেস টেমপ্লেট মাত্র ৪ মাসের মধ্যে বিক্রি হয়েছে ৩৯১০ বার। ৬ মাসে হয়তো এটার সেল ১০,০০০ ওভার হয়ে যাবে। সো, হিসাব করে দেখুন-কত হাজার ডলার আয় হতে পারে একজন প্রফেশনাল ওয়েব টেমপ্লেট ডিজাইনারের। ভাবছেন, বলা সহজ, করা কঠিন। হুম, তবে যারা সিরিয়াস ও ডিটারমাইন তারাই লুফে নিতে পারে সফলতার চাবি।  
>> ওয়েবডিজাইনার হতে হলে কম্পিউটার সায়েন্স এর ছাত্র হতে হবে?

 এ ধারনা সম্পূর্ণ ভুল। অনেক ফ্রিল্যান্সার রয়েছে, যারা সাধারণ ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে এসে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্টের কাজ করছে। কম্পিউটার সায়েন্স এর ছাত্র হওয়া জরুরী নয়।

আমাদের অফিসের ঠিকানা:
৮৭, বিএনএস সেন্টার,
৬ষ্ঠ তলা (রুম নং# ৬১০/এ, এবং ৬১৪),
সেক্টর # ০৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।
হ্যালো : ০১৬১১ ৯০০ ৯৩৩
অথবা
নন্দী ভবন - (৩য় তলা),
(ইসলামী ব্যাংক সংলগ্ন, গাজীপুর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনষ্টিটিউট এর পাশের বিল্ডিং),
চন্দনা চৌরাস্তা, জয়দেবপুর, গাজীপুর।
হ্যালো : ০১৯৭৩ ৯০০ ৯৩৩
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন:
www.uit.com.bdwww.uttarainfotech.com

Outsourcing Training in Gazipur


                                 Online Freelancing Outsourcing Trainig In Gazipur

ভর্তি চলবে : ১৫/০৮/২০১৬ইং পর্যন্ত

বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে অন্যতম সৃজনশীল পেশার নাম হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। ওয়েব দুনিয়ায় শত শত ওয়েবসাইট এবং নানান রকম ওয়েব ডিজাইন এর মাধ্যমে নিজ নিজ সৃজনশীলতার পরিচয় তুলে ধরছে আজ প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনারগণ। আপনি যদি সৃজনশীল কিছু করতে চান বা সৃজনশীল কাজ করতে বেশি ভালবাসেন তবে ওয়েব ডিজাইনিং হবে আপনার জন্য সর্ব উত্তম পেশা। প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার বর্তমান সময়ের অন্যতম লোভনীয় প্রফেশন। একজন প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার এর কাজের ক্ষেত্র অনেক বিস্তৃত। কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান গুলোতে প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার হিসাবে চাকুরির পাশাপাশি ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিংও করার সুযোগ রয়েছে। তাই দিনদিন ওয়েব ডিজাইনিং কিংবা ওয়েব ডিজাইন -এর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। উত্তরা ইনফোটেক দক্ষ ও প্রফেশনাল প্রশিক্ষক দ্বারা আন্তরিকতার সহিত ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর কাজ শিখিয়ে থাকেন।
কি কি শিখতে পারবনে এই কোর্স থেকে:
১. এইচটিএমএল, এইচটিএমএল-৫
২. সিএসএস, সিএসএস-৩
৩. জাভাস্ক্রিপ্ট
৪. জে-কোয়েরি
৫. পিএসডি টু এইচটিএমএল
৬. পিএইচপি
৭. ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি ব্লগসাইট তৈরি করতে হয়
৮. ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল তৈরি করতে হয়
৯. ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি ব্যাবসায়িক সাইট তৈরি করতে হয়
১০. ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি অনলাইন শপিং/ই-কমার্স সাইট তৈরি করতে হয় ।
এছাড়াও পাচ্ছেনঃ
-মাল্টি-মিডিয়া প্রজেক্টর দ্বারা ক্লাসের ব্যবস্থা।
– আন্তরিক ও প্রফেশনাল প্রশিক্ষণ Environment.
– প্রতিটি ক্লাসের Video Script।
– সকলেই ওয়েব ডিজাইনিং এর রিয়াল প্রজেক্টে কাজ করার সুবিধা পাবে।
ভর্তি এবং প্রশিক্ষণ ফি:
আমাদের আপকামিং ব্যাচটির ক্লাশ হবে সপ্তাহে ০৩ দিন । ৩ মাসের প্রশিক্ষণ এবং এক মাসের রিয়েল লাইফ প্রজেক্ট সহ মোট প্রশিক্ষন ফি : ১,৫০০/-.টাকা।
আমাদের অফিসের ঠিকানা:
৮৭, বিএনএস সেন্টার,
৬ষ্ঠ তলা (রুম নং# ৬১০/এ, এবং ৬১৪),
সেক্টর # ০৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।
হ্যালো : ০১৬১১ ৯০০ ৯৩৩
অথবা
নন্দী ভবন - (৩য় তলা),
(ইসলামী ব্যাংক সংলগ্ন, গাজীপুর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনষ্টিটিউট এর পাশের বিল্ডিং),
চন্দনা চৌরাস্তা, জয়দেবপুর, গাজীপুর।
হ্যালো : ০১৯৭৩ ৯০০ ৯৩৩
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন:
www.uit.com.bd,  www.uttarainfotech.com